স্থানীয় রাজনৈতিক ও সমাজসেবামূলক উদ্যোগে বিদ্যালয়ের দিনটি স্মরণীয়
শেরপুরে সুফিয়া অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে সোমবার সকাল ১০টা থেকে একটি বিশেষ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যালয়ের ১৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর হাতে পুষ্টিকর খাবার তুলে দেয়া হয় এবং প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন ও উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জানে আলম খোকা। এছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবুর রহমান হারেজসহ পৌর বিএনপির নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রম ও উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের থেরাপিস্ট বিপ্লব হোসেন, সহকারী শিক্ষক নাজমুল হুদা, শিক্ষক মুমতাহিনা এবং অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ। সমাজসেবা অফিসার নাঈম হোসেনও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
- প্রধান অতিথি: আলহাজ্ব জানে আলম খোকা
- সভাপতি: রফিকুল ইসলাম মিন্টু
- বিশেষ অতিথি: কে এম মাহবুবুর রহমান হারেজ, স্বাধীন কুমার কুন্ডু, ফিরোজ আহমেদ জুয়েল, জাহিদুর রহমান টুলু
- সেবাগ্রহণকারী: বিদ্যালয়ের ১৫০ জন শিক্ষার্থী
শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও পরিবেশ সচেতনতার সম্মিলিত উদ্দেশ্য
অনুষ্ঠান পরিচালনার পর আলোচনা পর্বে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নের দিকগুলো নিয়ে কথা হয়। শেষপর্যন্ত অতিথিরা পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করেন এবং পরিবেশবান্ধব চিন্তা থেকে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে চারা রোপণ করে কর্মসূচি সমাপ্ত করা হয়।
স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
সামাজিক সুস্থতা ও বিশেষ শিক্ষা ক্ষেত্রে স্থানীয় তৎপরতা ছোট হলেও বৈদ্যুতিক প্রভাব রাখে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ এবং পরিবেশ রক্ষা—এই দুইটি উদ্যোগ একসঙ্গেই করে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক কল্যাণে সহায়তা করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও থেরাপিস্টদের উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুষঙ্গিক সেবা প্রদানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| স্থান | সুফিয়া অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়, শেরপুর |
| সময় ও তারিখ | সোমবার, সকাল ১০টা |
| লাভান্বিত | ১৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী |
স্থানীয় নেতারা এই ধরনের কার্যক্রমকে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী ও থেরাপিস্টরা জানান, নিয়মিত পুষ্টি ও পরিবেশচর্চা শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন স্বস্তি ও উন্নত আচরণে সহায়তা করে।
শেরপুরে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর এই ধরনের মেলবন্ধন শিক্ষার্থীর কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ছোট শহরের প্রতিটি উদ্যোগই স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—বিশেষ করে যখন তা প্রতিবন্ধী ও আলাদা চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের উন্নয়নকেই কেন্দ্র করে।
এই কর্মসূচিতে যেসব নেতা ও ব্যক্তিত্ব অংশ নিয়েছিলেন, তাদের উপস্থিতি ও সহায়তা স্থানীয়ভাবে প্রশংসার যোগ্য বলে অনেকে মনে করেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শিক্ষার্থীদের জন্য ভবিষ্যতে আরো পুষ্টি-সামগ্রী, থেরাপি ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সহায়তা পাওয়া যাবে।