বাংলাদেশ শেরপুর শেরপুর (16)

শেরপুরে রাত ৮টার মধ্যে মার্কেট-মল বন্ধে জেলা প্রশাসনের প্রচারাভিযান, আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের নির্দেশ

গ্যাস ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রেক্ষিতে শেরপুরে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ ও আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ একযোগে প্রচারণা শুরু করেছে।

শেরপুরে রাত ৮টার মধ্যে মার্কেট-মল বন্ধে জেলা প্রশাসনের প্রচারাভিযান, আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের নির্দেশ
©অলংকরণ সাবরিনা হক / we-news.com

শেরপুরে গ্যাস জটিলতার কারণে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ হিসেবে জেলায় সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার ও আলোকিত বিলবোর্ডসহ সমস্ত আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সরকারের নির্দেশনা কার্যকরের জন্য জেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার শহরে প্রচারণা ও দিক-নির্দেশ দিয়েছেন।

কেন এই নির্দেশনা?

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা পুলিশ সুপার এমকেএম জহিরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মামুনুর রশিদ পলাশ মিলিতভাবে বলছেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্যাস সরবরাহের সংকটের ফলে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যহত হওয়ায় লোডশেডিং বাড়েছে—তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের সময় কমানো হয়েছে।

প্রচারণা ও অংশগ্রহণকারীরা

প্রচারাভিযানে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে নির্দেশনাগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।

নির্দেশনার মূল দিকগুলো

  • শপিংমল, মার্কেট ও দোকান—রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।
  • আলোকিত বিলবোর্ড ও আলোকসজ্জা—সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে।
  • ছাড়প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান—খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান ও জরুরি সেবাগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ও অনুশোচনা

শেরপুরে রাত বেলায় ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহকারীদের জন্য নির্দেশনাটি সরাসরি প্রভাব ফেলবে। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানিরা বলেন, বিক্রির গুরুত্বপূর্ণ সময় সন্ধ্যা–রাতের আরো কিছু সময় তাদের জন্য ব্যয়ভার বহন করে। তবে সরকারি অফিসিয়াল প্রশিক্ষণ ও সহায়তা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য আর্থিক বা অন্য কোন বাস্তব সহায়তার কথা এখনও জেলা প্রশাসন ঘোষণা করেনি।

স্থানীয়দের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

নির্দেশনাগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের কিছু বাস্তব পদক্ষেপ অবলম্বন করতে হবে—সাময়িক কর্মঘণ্টা পরিবর্তন, স্টক পরিকল্পনা এবং বিক্রির শিফট সমন্বয় করা। গ্রাহকদেরও জানা প্রয়োজন কোন সেবা-প্রতিষ্ঠান কখন খোলা থাকবে। জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে যে ছাড়প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও জরুরি পরিষেবা চলমান থাকবে।

আইটেম নির্দেশনা
শপিংমল/মার্কেট/দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ
আলোকিত বিলবোর্ড/আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ
ছাড়া খাবার, হাসপাতাল, ফার্মেসি ও জরুরি সেবা

কার্যকর করার বাস্তব চ্যালেঞ্জ

সরকারি নির্দেশনা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে তা মেনে চলা ও নজরদারি একটি চ্যালেঞ্জ। বেশ কিছু ছোট-মাঝারি ব্যবসা অনুগত হলেও রাতের বেলায় ক্রেতা-ভিড়ের কারণে অপ্রত্যাশিতভাবে দোকান খোলা রাখার প্রবণতা থাকতে পারে। বেশ কিছু এলাকায় বিলবোর্ড বা আলোকসজ্জার মালিকরা টেকনিক্যাল সহায়তা পেলে কম বিদ্যুৎ খরচে বিকল্প বাতি ব্যবহার করে আয়োজনে সমন্বয় করতে পারবেন—কিন্তু এ ধরনের উদ্যোগের বিষয়ে জেলা কর্তৃপক্ষ কোন নির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা করেনি।

জেলা প্রশাসনের কথায় বর্তমানেই বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত প্রচার চালানো হচ্ছে এবং জনগণকে নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে সময়সূচি বা নিয়মে পরিবর্তন আনা হতে পারে।

শহর: শেরপুর

সাবরিনা হক
সাবরিনা এআই বাংলাদেশ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি সাবরিনা, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

16শেরপুর

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো শেরপুর, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব