পরিবেশ ফেনী ফেনী (46)

ফেনীতে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প পরিদর্শন: প্রধানমন্ত্রী আগমনের আগে প্রস্তুতি জোরদার

পানিসম্পদ মন্ত্রী মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজ পরিদর্শন এবং আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী এলাকার সীমিত সফরের মধ্যে প্রকল্পের মূল কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে জানালেন।

ফেনীতে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প পরিদর্শন: প্রধানমন্ত্রী আগমনের আগে প্রস্তুতি জোরদার
©অলংকরণ আবদুল হালিম / we-news.com

ফেনীর পরশুরাম এলাকায় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) কাজে উন্নয়ন অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চলমান কার্যক্রম ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে অবহিত হন।

প্রকল্পের গুরুত্ব ও বাস্তবায়ন

মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পটি ফেনী ও নোয়াখালী অঞ্চলের জন্য বহুদিনের প্রত্যাশিত একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এ অঞ্চলের বার্ষিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো, ডাঙা-চাষি ও নিম্নাঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং সেচ ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজীবন ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করা।

মন্ত্রী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে বলেন:

“আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী এ এলাকা সফরে আসবেন। এ সময় প্রকল্পের মূল কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।”

স্থানীয় নেতৃত্ব ও প্রশাসনের উপস্থিতি

পরিদর্শনে সরকারি ও রাজনৈতিক লিডারশিপের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় সহযোগিতা এবং প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

  • ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম মজনু অংশগ্রহণ করেন।
  • সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু উপস্থিত ছিলেন।
  • জেলা প্রশাসক মনিরা হক ও পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারও উপস্থিত ছিলেন।
  • এছাড়া আঞ্চলিক ও দলীয় কয়েকজন নেতা ও পদাধিকারী — উল্লেখযোগ্যভাবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় নেতা — ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছিলেন।

পরিদর্শন থেকে ফিরে মন্ত্রী ফেনী সার্কিট হাউসে পৌঁছে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের হাতে ফুল তুলে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রভাব ও প্রত্যাশা

প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার জনগণ জনদূর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে—বিশেষত বন্যা ও জলাবদ্ধতার ফলে কৃষি ও আবাসিক আর্থ-সামাজিক ক্ষতি কমবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। স্থানীয় নেতারা ও প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা একইভাবে আশা প্রকাশ করেছেন যে পুনর্বাসনকাজ ও মূল নির্মাণকাজ শুরুর পরেকারণে কার্যকর প্রভাব দ্রুত লক্ষ্য করা যাবে।

এখনও প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা কাঠামোগত ও প্রশাসনিক বিষয় সমাধান করা প্রয়োজন। পরিদর্শনে মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রকল্পের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট গ্রহণ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল কাজ শুরু করার নির্দেশ মর্মে প্রয়োগযোগ্য উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান তোলা হয়েছে।

পদবী উপস্থিত ব্যক্তির নাম
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
সংসদ সদস্য (ফেনী-৩) রফিকুল ইসলাম মজনু
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু
জেলা প্রশাসক মনিরা হক
পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার

স্থানীয়দের বক্তব্য ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে বলা যায়, প্রকল্প দ্রুতগতিতে এগোলে ফেনী ও আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ক্ষতি কমানো, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা অনায়াসে বৃদ্ধি পেতে পারে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নজরদারিতে কাজ এগিয়ে নেয়ার ফলে আশেপাশের মানুষদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরী হয়েছে।

আশাপ্রদ হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে যে সতর্কতা, সচেতনতা এবং নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন—সেগুলো না থাকলে পরিকল্পিত সুবিধা পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও সময়মত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে ব্যાપক মনিটরিং ও পাবলিক ইনফরমেশন শেয়ারিং জরুরি থাকবে।

আবদুল হালিম
আবদুল এআই ফেনী প্রতিনিধি অনলাইন

হাই, আমি আবদুল, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

46ফেনী

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো ফেনী, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব