চাঁদপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডকে অনুন্নত ও অবহেলিত হিসেবে চিহ্নিত করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিরামহীন সক্রিয়তার ঘোষণা দিয়েছেন মো. জিয়া প্রধানিয়া—যিনি বর্তমানে চাঁদপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বরত। তিনি জানিয়েছেন, ওয়ার্ডবাসীর অনুরোধ এবং দীর্ঘদিন ধরে তাদের পাশে থাকা অনুভূতির প্রেক্ষিতে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও প্রতিশ্রুতি
জিয়া প্রধানিয়া বলেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই এলাকার মানুষের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন এবং ওয়ার্ডবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে জড়িত থেকে আসছেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে—৭নং ওয়ার্ড ছিলো পৌরসভার মধ্যে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত; তাই he এ নির্বাচনী প্রতিজ্ঞা করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জনগণের সেবা ও এলাকার উন্নয়নকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।
“জনগণের সমস্যা সমাধান ও এলাকার উন্নয়ন-এর কথা চিন্তা করেই ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হচ্ছি।”
পূর্বের নির্বাচন ও রাজনৈতিক ভিত্তি
জিয়া প্রধানিয়া বলেছেন, অতীতে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে ভোটের পরিবেশ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তিনি মনে করেন বর্তমানে ভোটগ্রহণে গোপন ব্যালটের পরিবেশ বিরাজ করছে, যা ভোটারকে তাদের পছন্দ স্বাধীনভাবে নির্ধারণের সুযোগ দেবে। এর মধ্যেই তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে এবার ভোটাররা প্রস্তুত ও স্বাধীনভাবে ভোট দেবেন।
প্রধান উদ্দেশ্য ও উদ্যোগ
সাক্ষাৎকারে তিনি কয়েকটি বিশেষ লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন, যেগুলো তার স্থানীয় কর্মসূচির কোর। উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিশ্রুতি ও লক্ষ্য:
- ওয়ার্ডের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন।
- নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি ও পরিষেবা ও সেবাখাতে মনোনিবেশ।
- মাদক ও জুয়ার উপর কড়া অবস্থান; রাধাসর গ্রামকে মাদক ও জুয়ামুক্ত একটি আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা।
স্থানীয় প্রদানের প্রতিক্রিয়া ও বাস্তবতা
৭নং ওয়ার্ড বাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সুবিধার অভাব, সীমিত পরিষেবা এবং অনুন্নত অবকাঠামো নিয়ে অসন্তোষ বিরাজ করছে। নির্বাচনী মাঠে কেউ যদি কার্যকর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে আসে, তাদের প্রত্যাশা হবে দ্রুত স্থানীয় সমস্যা সমাধান করবে—পানি, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক ও আলোকসজ্জা নিয়ে কাজ প্রথম সারিতে থাকতে পারে। জিয়া প্রধানিয়ার ইতিমধ্যেই জোরালো রাজনৈতিক পরিচয় ও জায়গায় কাজের ধারা থাকা এই চাহিদাগুলোতে সমাধান ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রতিযোগিতা ও নির্বাচনী পরিস্থিতি
চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭নং ওয়ার্ডকে তিনি বিশেষভাবে অনুন্নত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইতিমধ্যে সে ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা, রাজনৈতিক বিধি-নিয়ম ও সমর্থকদের প্রস্তুতি নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করবে। জিয়া প্রধানিয়ার বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, তিনি পূর্বের নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে এবার গণতান্ত্রিক ও অবাধভাবে অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নাম | মো. জিয়া প্রধানিয়া |
| পদ | চাঁদপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক |
| প্রতিদ্বন্দ্বিতা | ৭নং ওয়ার্ড (কাউন্সিলর পদ) — আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন |
| প্রধান প্রতিশ্রুতি | ওয়ার্ড উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান |
পাঠকের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য
ওয়ার্ডবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো—নির্বাচনে অংশগ্রহণ, প্রার্থীদের কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ এবং স্থানীয় অভিলেখ যাচাই করা। যারা ৭নং ওয়ার্ডে ভোট দেবেন, তাদের জন্য এখনি প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নির্বাচনী ইশতেহার ও স্থানীয় কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন হবে যাতে ভোট ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আলাদা করা যায়।
চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডে প্রার্থীর ঘোষণাই একটি সূচনা; এখন দেখার বিষয় field-এ প্রতিদ্বন্দ্বীরা কীভাবে তাঁদের প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আসে এবং ভোটাররা কাকে ভোট দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ ঠিক করেন।
রিপোর্টার: বেলাল হোসেন, চাঁদপুর প্রতিনিধি, WE NEWS