গাজীপুরের কোনাবাড়ী জোনাল অফিস জানিয়েছে, শনিবার (২৯ আগস্ট) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহাধীন বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। বিষয়টি কনাবাড়ী জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
কাদের বিদ্যুৎ যাবে এবং কেন
কোনাবাড়ী জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত উপদ্বীপ লাইন ও সম্পর্কিত দুর্গত উপকরণে জরুরি মেরামত করা হবে। কাজের নিরাপত্তা এবং স্থায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে ওই সময়ে লাইন বিচ্ছিন্ন রেখে কাজ চালানো হচ্ছে বলে তারা জানান। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে সুযোগ্য অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
প্রভাবিত এলাকা ও সময়সূচি
কোনাবাড়ী জোনাল অফিসের দেয়া তালিকায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে কুদ্দুস নগর, পেয়ারা বাগান, চেয়ারম্যান বাড়ির মোড়, জেলখানা আশপাশ, কটন ক্লাব, হালিমা রোড, নামাপাড়া, ১০তলা, কোনাবাড়ী হাউজিং, পুকুরপাড়, জরুন, পাঠানবাড়ী রোড, তিতাস ফ্যাক্টরির গলি, পারিজাত, সেলিমনগর, আমবাগ, বাঘিয়া, জয়েরটেক, প্রতাবপুর, নছের মার্কেট, বরাব, কালের ভিটা, মেঘলাল, বাবুর্চির মোড়, মিতালি ক্লাব, নতুন বাজার, চায়না মার্কেট, দেওলিয়াবাড়ী, কলেজগেট, এনায়েতপুর, ক্লাবমোড়, সবুজ ক্যানন, হাতিমারা, বাগানবাড়ি চৌরাস্তা, এনায়েতপুর স্কুল মার্কেট, বেলতলা ও ফায়ার সার্ভিসসহ আশপাশের এলাকা উল্লেখ রয়েছে।
| সূচনা | সময় | অবধি |
|---|---|---|
| বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন | ২৯ আগস্ট, সকাল ৮টা | বিকেল ৩টা (৭ ঘণ্টা) |
স্থানীয় জীবনে সম্ভাব্য প্রভাব
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে অফিস, দোকান ও হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন সেবা এলাকায় সাময়িক ব্যাহত হতে পারে। বিশেষত ব্যবসায়ীরা, উত্তপ্ত পরিবেশে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যুৎ নির্ভর বাড়িঘরগুলোকে অস্থায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ চালু করা হবে।
- ঠিক করা সময়: সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা (৭ ঘণ্টা)
- কর্তৃপক্ষ: কোনাবাড়ী জোনাল অফিস, ডিজিএম মো. শফিকুল ইসলাম
- প্রভাবিত এলাকা: কুদ্দুস নগর, পেয়ারাবাগান, নতুন বাজার, কলেজগেট ও আশপাশ
"জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে; গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত" — কোনাবাড়ী জোনাল অফিস।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল, পানিবন্দি এলাকা বা শিল্পকারখানাগুলো নিজেদের ব্যাকআপ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে বলেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। পরিবেশন, খাদ্যদ্রব্য শীতলীকরণ ও জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত শ্রেণীগুলো আগে থেকে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানোর ব্যবস্থা নেবে বলে এলাকার দোকানপাট ও কারখানা মালিকরা জানিয়েছেন।
শহরের দৈনন্দিন কর্মজীবনে এ ধরনের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা পুনরায় ঘটলে তা ব্যবসা ও জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে—এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে অনেক স্থানীয় ব্যবসায়ী মনে করেন। কিন্তু এই বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের আগের সতর্কতা ও সময়সূচি জানিয়ে দিয়েছে, যার ফলে গৃহস্থালি ও ব্যবসায়িক প্রস্তুতি নেওয়া যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনাবাড়ী জোনাল অফিস জানিয়েছে, কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে। প্রয়োজনে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও স্থানীয় অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে আপডেট নেওয়া যেতে পারে।