কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া–নবাবপুর সড়কের দীর্ঘদিনের নাজুক অবস্থা দ্রুত সংস্কারের দাবিতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
বিক্ষোভ ও দাবি
১৩ আগস্ট বিকেলে মাধাইয়া স্টেশন এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবন্দসহ স্থানীয় মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সড়কটির নির্মাণকাজ ধীরগতিতে হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা দ্রুত কাজ শেষ না হলে পুনরায় অবরোধ সহ আরও কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন।
অভিযোক্তদের কথায়, মাধাইয়া–নবাবপুর সড়কটি শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি একটি যোগাযোগপথ। গত কয়েক মাসে ভাঙা-চুরা অংশ, কাদা-কাঠোর ও ধুলাবালির কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কাজ শেষ করার আহ্বান জানায়।
আন্দোলনে উপস্থিত নেতারা
আন্দোলনে উপস্থিতির মধ্যে ছিলেন চান্দিনা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবুল কাশেম অভি এবং খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মতিউর রহমান ফরাজী সহ স্থানীয় বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি। সমাবেশে বক্তারা সড়ক সংস্কারের দেরি এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ধীরগতিকে দায়ী করেছেন।
বক্তারা উল্লেখ করেছেন, ప్రస్తుతం সড়ক যেন প্রকৃতপক্ষে চলাচ্য উপযোগী না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ বাড়ছে। তারা বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ না নেয়, তাহলে যৌথভাবে আরও বিস্তৃত আন্দোলন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
প্রতিবন্ধকতাগুলো সরাসরি ঢাকা–চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের যাত্রী ও পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায়। স্থানীয়রা দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক সংযোগপথ ঠিকঠাক না থাকলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হবে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, অবকাঠামোর দুর্বলতার ফলে শুধুমাত্র যাতায়াতই নয়, গৃহস্থালির ব্যয় বাড়ছে, পরিবহন খরচ বেড়েছে এবং কৃষিজাত পণ্য বাজারে পৌঁছে দিতে বিলম্ব হচ্ছে।
- সড়ক: মাধাইয়া–নবাবপুর (চান্দিনা)
- স্থান: মাধাইয়া স্টেশন এলাকায় ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক
- তারিখ ও সময়: ১৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার বিকেল
- উপস্থিত: রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সচেতন নাগরিক
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| সমস্যা | সড়কের বেহাল অবস্থা—ধুলাবালি, কাদা ও ভাঙাচোরা অংশ |
| দাবি | নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করে সড়ক চালু করা |
| পরবর্তী করণীয় | সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ দ্রুত না করলে পুনরায় শাহরাস্তি অবরোধ ও বড় আন্দোলনের হুমকি |
স্থানীয়দের আশঙ্কা ও সতর্কতা
স্থানীয়রা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সড়কের নির্মাণ কাজ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ না করা হয় তাহলেই তারা বৃহত্তর আন্দোলনসহ মহাসড়ক পুনরায় অবরোধ করবে। তাদের তাগিদ—প্রকল্পের সময়সীমা ও কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রশাসন সরাসরি জনগণকে জানালে ভুল বোঝাবুঝি কমে যাবে এবং তৎপর পরিমাপে কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব হবে।
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির বিষয়ে স্পষ্ট বিবৃতি এই রিপোর্টের জন্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা দাবি ও অভিযোগের ন্যায্যতা যাচাইয়ের দাবী করে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেছেন।
এই ঘটনার ফলে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রভাব পড়েছে; ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পুনরায় লক্ষণীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
প্রতিবেদন প্রস্তুতকালে সংশ্লিষ্ট দফতর ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতির ওপর নিরন্তর নজর রেখেWE NEWS আগামী দিনে এ বিষয়ে আপডেট জানাবে।