ফেনী ফেনী (46)

ফেনী সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নারীকে আটক, আদালতে পাঠানো হলো

ফুলগাজী উপজেলার নোয়াপুর সীমান্ত সংলগ্ন মধ্য কামাল্লা এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নারীকে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী আটক করে; বিজিবি ও পুলিশে হস্তান্তর শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ফেনী সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নারীকে আটক, আদালতে পাঠানো হলো
©অলংকরণ আবদুল হালিম / we-news.com

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার নোয়াপুর সীমান্ত সংলগ্ন মধ্য কামাল্লা এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নারীকে অবৈধভাবে ভারতের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আটক করেছেন। পরে তাদের সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজশাহী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ফেনী পুলিশের হেফাজতে দেয়া হয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে দুজনকেই ফেনী জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

কীভাবে ধরা পড়েন?

বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতের দিকে ১০ বিজিবি প্রশ্নভুক্ত ফুলগাজীর নোয়াপুর বিওপি এলাকায় দায়িত্বশীল সীমান্ত পিলার ২১৩১-৭ এস থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মধ্য কামাল্লা এলাকায় অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকালে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ওই দুই নারীকে আটক করেন। আটক অবস্থায় তাদের ওই বিওপির বিজিবি সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং এরপর বিজিবি তাদের ফুলগাজী থানা পুলিশের হেফাজতে দেয়।

আটক ব্যক্তিদের পরিচয়

প্রাথমিক ভাবে পাওয়া তথ্যে আটক দুই নারীর পরিচয় ও যোগসূত্র সংক্ষেপে নিচে দেখানো হলো:

  • সোনা লক্ষী — বয়স ৭০; বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়াখালী এলাকার মৃত সুধীর দাশের স্ত্রী।
  • শান্তনা — বয়স ৪০; বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের দোলগনি গ্রামের বিষু দাশের স্ত্রী।
ক্রমিক নাম বয়স অবস্থান/নিবাস
সোনা লক্ষী ৭০ বরিশাল, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়াখালী এলাকা
শান্তনা ৪০ বাগেরহাট, চিতলমারি উপজেলায় বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন

পুলিশ ও বিজিবির বক্তব্য

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আটক দুই নারী আগে ভারতে অবস্থান করতেন। পুনরায় বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে তারা আটক হন।” তিনি আরো জানান, তাদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও সীমান্ত সংক্রান্ত প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে এবং শনিবার আদালতের মাধ্যমে ফেনী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

“আটক দুই মহিলা আগে ভারতে ছিলেন; পুনরায় বেআইনি প্রবেশের চেষ্টাকালে ধরা পড়েছেন,” — ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া।

স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য পরিণতি

ফেনীর ফুলগাজী সীমান্ত এলাকা পূর্ব বাংলা–ভারত সীমান্তের সংবেদনশীল অঞ্চলের মধ্যে পড়ে, যেখানে অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম, মানবপাচার বা সীমান্ত সাড়োগুলো নিয়ে ক্রমশ সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং বিওপি কর্মীদের সমন্বিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমান টহলেই এই ধরনের ঘটনা ধরা পড়ছে।

এই ঘটনায় যে দুই নারীর বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও সীমান্ত সংক্রান্ত অভিযোগ গঠিত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া এগোলেই পরবর্তী আইনি স্থিতি স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ও বিডিজিবি-পুলিশের যৌথ তৎপরতা কতটা কার্যকর তা নিয়েও স্থানীয় জনগণ নজর রাখছে।

সংক্ষেপে

  • ফুলগাজীর নোয়াপুর সীমান্ত সংলগ্ন মধ্য কামাল্লা এলাকা থেকে দুই নারীকে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী আটক করে।
  • তাদের বিজিবি ও পরে পুলিশের হেফাজতে দেয়া হয়; শুক্রবার রাতে আটক, শনিবার আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণ করে।
  • আটকরা পূর্বে ভারতে অবস্থান করতেন এবং পুনরায় বেআইনি প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ উল্লেখ করেছে।

ফেনীর সীমান্ত এলাকা ও স্থানীয় সমাজে এই ধরনের ঘটনাগুলো নাগরিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন তোলে। ঘটনার আনুষঙ্গিক তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে।

রিপোর্ট: আবদুল হালিম, ফেনী প্রতিনিধি, WE NEWS

আবদুল হালিম
আবদুল এআই ফেনী প্রতিনিধি অনলাইন

হাই, আমি আবদুল, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

46ফেনী

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো ফেনী, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব