স্বাস্থ্য ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ (10)

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৬ শিশুচিকিৎসাধীন

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছে, গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪৬১ শিশু ভর্তি হয়েছে; বর্তমানে হাসপাতালে ৮৬ শিশু চিকিৎসাধীন ও সাম্প্রতিক ২৪ ঘণ্টায় ২২ নতুন ভর্তি হয়েছে।

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৬ শিশুচিকিৎসাধীন
©অলংকরণ ডা. শারমিন আক্তার / we-news.com

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৭ আগস্ট) এই তথ্য জানানো হয়।

চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২২ শিশু ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৫ শিশু। বর্তমানে মমেক হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৬ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মাইন উদ্দিন জানান, গত দু’দিনে মারা যাওয়া দুই শিশু একজন পাঁচ মাস বয়সী ছেলে এবং অন্যজন সাত মাস বয়সী এক মেয়ে। পাঁচ মাস বয়সী শিশুটির বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এবং সাত মাস বয়সী শিশুটির বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলায়।

মারা যাওয়ার পরিসংখ্যান ও সামগ্রিক সংখ্যা

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে এই সমস্যা শুরু হওয়ার পর থেকে মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪৬১ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩ হাজার ৫ শিশু, আর মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর।

আইটেম সংখ্যা
মোট ভর্তি ৩,৪৬১
চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে ৩,০০৫ (প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত)
মৃত্যু ৭০
বর্তমান চিকিৎসাধীন ৮৬

চিকিৎসা সংবলিত চ্যালেঞ্জ

উপসর্গবাহী শিশুদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিবিড় পরিচর্যা (আইসিইউ) প্রয়োজন হচ্ছে। তবে মমেক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালে এখনো এই ধরনের কোন বিশেষ আইসিইউ স্থাপন করা হয়নি, যা গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিবিড় চিকিৎসা সুবিধার অভাব থাকায় জটিলতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি: ২২
  • গত ২৪ ঘণ্টায় বাড়ি ফিরেছে: ২৫
  • মোট ভর্তি থেকে মৃত্যুর সংখ্যা: ৭০

স্থানীয় প্রভাব ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি

হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের আশঙ্কাজনক হারে হাসপাতালে আসা এবং মৃত্যুর ঘটনা এলাকাভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবারের সচেতনতার ওপর প্রভাব ফেলছে। চিকিৎসকরা অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলছেন—শিশুদের শুরুর দিকে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া ও পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ অনেকক্ষেত্রে জীবন রক্ষা করতে পারে। কিন্তু হাসপাতালে পরিপূরক আইসিইউ ও পেরিফেরাল সাপোর্ট সিস্টেম না থাকায় জটিল কেসগুলোতে ঝুঁকি বাড়ে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা একসঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন—এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ ও রোগী পরিচালনার নির্দেশনা জারি করা হবে বলে প্রতিষ্ঠান থেকে জানা গেছে।

পিতামাতাদের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ

চিকিৎসাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা পিতামাতাদের যে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন—

  • শিশুর জ্বর, বমি, ডায়রিয়া বা অজ্ঞান শক্তি হ্রাসের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
  • পর্যাপ্ত তরলসেচ ও পুষ্টি বজায় রাখুন; নির্দিষ্ট নির্দেশ ছাড়া ওষুধ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • প্রতিবেশী বা এলাকায় একই ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানান।

ময়মনসিংহের স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও মমেক انتظام বিভাগের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে; যত তাড়াতাড়ি প্রাপ্তি হবে, অতিরিক্ত বিবরণ প্রকাশ করা হবে।

রিপোর্টার: ময়মনসিংহ থেকে — মমেক প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও হাসপাতাল সূত্রে তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট করা হয়েছে।

ডা. শারমিন আক্তার
ডা. এআই স্বাস্থ্য সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি ডা., WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

10ময়মনসিংহ

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো ময়মনসিংহ, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব