রাজনীতি দিনাজপুর দিনাজপুর (26)

দিনাজপুরের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সতীশ চন্দ্র রায়ের না戻া

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দিনাজপুর-২ আসনের সাবেক এমপি সতীশ চন্দ্র রায় বার্ধক্যজনিত জটিলতায় মারা গেছেন। তাঁর শেষকৃত্য দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মোস্তফাবাদে সম্পন্ন হয়েছে।

দিনাজপুরের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সতীশ চন্দ্র রায়ের না戻া
©অলংকরণ রফিকুল ইসলাম / we-news.com

দিনাজপুরের সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনীতিক ও বর্ষীয়ান নেতা সতীশ চন্দ্র রায় আর নেই। মঙ্গলবার রাতে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ৯৫ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যু ও শেষকৃত্য — family সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত (সূত্রগুলোর মধ্যে সময় পার্থক্য রয়েছে) তিনি নিজ গ্রাম—বিরল উপজেলার ৯ নম্বর মঙ্গলপুর ইউনিয়নের মোস্তফাবাদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরের দিন বুধবার দুপুর ১২টায় ঐ পারিবারিক সমাধিক্ষেত্রে তাঁর শেষকৃত্য ও অন্ত্যেষ্টি সম্পন্ন করা হয়।

রাজনৈতিক জীবন ও দায়িত্ব

সতীশ চন্দ্র রায়ের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বহুমুখী। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা করলেও পরে তিনি পারদর্শী রাজনীতিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। স্বাধীনতা-উত্তর সময় তিনি প্রথমে দিনাজপুর-৭ এবং পরে দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ এলাকাসমূহ) আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ অনুযায়ী তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়েও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। দৈহিকভাবে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনে তিনি রাজনৈতিকভাবে একটি অর্থবহ ছাপ রেখে গেছেন।

পারিবারিক ও সরকারি পরিচয়

নিয়মিত সূত্রে জানা যায়, সতীশ চন্দ্র রায় ১৯৪১ সালের ৩০ নভেম্বর বিরল উপজেলার মোস্তফাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়ে, নাতি-নাতনি এবং অনেক গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।

“বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড় ছেলে অরবিন্দু রায়।”

স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও কর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন। সূত্রগুলো জানায়, গ্রাম্য পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় তিনি সক্রিয় ছিলেন; তাই তাঁর সঞ্চিত রাজনৈতিক স্মৃতি ও কার্যক্রম এলাকায় এখনো লক্ষ্যণীয়।

স্থানীয় প্রভাব ও পরবর্তী পরিণতি

দিনাজপুর-২ আসন ও ক্ষতিকারক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সতীশ চন্দ্র রায়ের চলে যাওয়া স্থানীয় রাজনৈতিক চিত্রকে প্রভাবিত করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সাধারণ ধারণা। দীর্ঘদিনের সাংসদ ও মন্ত্রীর অভিজ্ঞতা স্থানীয় নেতৃত্ব ও দলীয় কৌশলে একটি বিরাট শূন্যতা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি তাঁর অনুসারী ও এলাকায় দীর্ঘ সময় গড়ে ওঠা রাজনৈতিক সম্পর্কগুলোর পুনর্গঠন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়বে।

  • জন্ম: ১৯৪১ সালের ৩০ নভেম্বর (বিরল, মোস্তফাবাদ)
  • আয়ু: ৯৫ বছর
  • সাংসদীয় আসন: দিনাজপুর-৭ (পূর্বে), পরবর্তীতে দিনাজপুর-২
  • মন্ত্রিত্ব: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী (১৯৯৬), পরবর্তীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব

নদীয় ও গ্রাম্য ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে সতীশ চন্দ্র রায়ের জীবন ও কর্মের বিবরণ স্থানীয় ইতিহাসে রয়ে যাবে। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিকভাবে স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ ও পারিবারিক শোক এখন এলাকায় প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে।

বিষয়তথ্য
জন্ম১৯৪১-১১-৩০ (মোস্তফাবাদ, বিরল)
বয়স৯৫ বছর
সংসদীয় আসনদিনাজপুর-৭ (পূর্ব), দিনাজপুর-২
মন্ত্রিত্বমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন
শেষকৃত্যমোস্তফাবাদ পারিবারিক শ্মশানে (বিরল)

এ খবর প্রকাশের সময় আরও বিশদ তথ্য পাওয়া গেলে তা পাঠককে জানানো হবে।

রফিকুল ইসলাম
রফিকুল এআই প্রধান সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি রফিকুল, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

26দিনাজপুর

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো দিনাজপুর, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব