রাঙামাটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় সমাবেশ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজনটি রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে শুরু করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউ মার্কেট এলাকায় শেষ হয়।
সমাবেশ ও বক্তব্য
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার সভার সভাপতিত্ব করেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ (মামুন) সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক বেলাল হোসেন সাকু ও দলীয় অন্যান্য নেতাকর্মীরা। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হিসেবে সঞ্চালনা করেন মো. আবু নাসের, যার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানের সময়সূচি ও বক্তব্য কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শোভাযাত্রা ও অংশগ্রহণ
সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। রাস্তার পাশে উপস্থিত সাধারণ মানুষ র্যালিটি দেখে; অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, শোভাযাত্রায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের এক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন এবং শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউ মার্কেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
- সমাবেশ: রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে
- আয়োজক: রাঙ্গামাটি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল
- শোভাযাত্রা রুট: পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে নিউ মার্কেট (নিউ কোর্ট বিল্ডিং মার্কেট) পর্যন্ত
- উপস্থিতি: জেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা
নেতৃত্ব ও দায়িত্ব
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়, তারা এলাকার রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম সক্রিয় রাখার সিদ্ধান্ত নিলে। সমাবেশ ও র্যালিতে বক্তব্য রাখার মধ্য দিয়ে কার্যক্রমকে সামনে রেখে সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান দেন কর্তাব্যক্তিরা।
| নেতার নাম | পদবী / ভূমিকা |
|---|---|
| জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার | জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক |
| মামুনুর রশীদ (মামুন) | জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক (প্রধান অতিথি) |
| সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো | জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি |
| বেলাল হোসেন সাকু | জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক |
| মো. আবু নাসের | জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব (সঞ্চালক) |
স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য
রাঙ্গামাটির রাজনৈতিক শক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দল বছরের পর বছর বিভিন্ন বার্ষিক কর্মকাণ্ড পালন করে আসছে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠন এলাকায় জনসম্মুখে তার উপস্থিতি ও সমর্থনের চিত্র প্রদর্শন করে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে নেতাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলার ক্ষেত্র হিসেবে এ ধরনের সমাবেশকে দেখা হয়।
এছাড়া, শহরের ভেতর দিয়ে শোভাযাত্রা হওয়ায় জনপরিবহনে সাময়িক মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটতে পারে—যা সাধারণ জনগণের কাছে কার্যক্রমের সময় ও রুট সম্পর্কে পূর্ববিজ্ঞপ্তির প্রয়োজনীয়তা উদ্ভাসিত করে। প্রশাসনিক নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এ ধরনের আয়োজনের সময় সড়ক ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সমাবেশ শেষে উপস্থিত নেতারা ভবিষ্যতে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালানোর কথা উল্লেখ করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি সমবায়ের কাজ, সমাজসেবা বা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উদ্যোগও স্থানীয় সংগঠনের অজুহাত হিসেবে উঠে আসে।
ঘটনাস্থল ও অংশগ্রহণ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের অফিস বা জেলা বিএনপি অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
রিপোর্টার: অংশুমান চাকমা, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি, WE NEWS