সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বড় পরিমাণ ভারতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাজধানী কালের মতো নয়—বোদা থানাধীন লাহেরিপাড়া এলাকায় বিজিবির ধামারঘাট বিওপির নেতৃত্বে একটি টহল দল কাজী করে সেখানে পরিত্যক্ত ও মালিকবিহীন অবস্থায় ১৩ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট শনাক্ত ও জব্দ করে।
অভিযানের পরিবেশনা ও অবস্থান
বিজিবি সূত্র জানায়, ঠাকুরগাঁও সেক্টরের আওতাধীন নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)-এর ধামেরঘাট বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে চৌকস টহল দল গোপন সংকেত মেনে সীমানা পিলার ৭৭৭/এমপি থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাজলদিঘী ইউনিয়নের লাহেরিপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে অভিযান পরিচালনা করার সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ভরণ-পোষণসহ বোরাতি প্যাকেটে থাকা ট্যাবলেটগুলো পাওয়া যায়।
জব্দকৃত সামগ্রী ও পরিস্থিতি
অভিযানে উদ্ধার করা ট্যাবলেটের মোট সংখ্যা ১৩ হাজার পিস। বিজিবি জানিয়েছে, এই ট্যাবলেটগুলো ভারতীয় উৎসের বলে মনে করা হচ্ছে এবং বাজারমূল্য আনুমানিক কয়েক লাখ টাকা হতে পারে। অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
| আধার | বিবরণ |
|---|---|
| অফিসার নেতৃত্ব | নায়েব সুবেদার মোঃ আব্দুল লতিফ (ধামেরঘাট বিওপি) |
| অবস্থান | লাহেরিপাড়া, কাজলদিঘী ইউনিয়ন (পঞ্চগড়) |
| সীমান্ত পিলার | ৭৭৭/এমপি |
| দূরত্ব (সীমানা থেকে) | প্রায় ৫০০ গজ |
| জব্দকৃত ট্যাবলেট | ১৩,০০০ পিস |
| আটক | কেউ নেই |
নেতৃত্বের বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
“সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্যসহ সকল প্রকার চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে।”
নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি কড়া জরিপ ও গোয়েন্দা নজরদারি চালাচ্ছে এবং এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—তারা অপরাধীদের স্বচ্ছতার জন্য উদ্বুদ্ধ।
- জরায়ুতে তৎপরতা: সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও গোপন সূত্রে সংবাদে অভিযান জোরদার করা হবে।
- তদন্ত অব্যাহত: জব্দকৃত ট্যাবলেটের উৎস ও যারা পাচার করেছে তাদের সন্ধানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কাজ করবে।
- স্থানীয় প্রভাব: সীমান্তবর্তী গ্রামের জনজীবন ও আন্তর্জাতিক সীমান্তরোধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে বলে বিজিবি প্রত্যাশা করছে।
স্থানীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সপ্তাহান্তে ও উৎসবের সময় মাদক ও অবৈধ পণ্য চোরাচালানের প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে বিজিবির এমন অভিযানগুলো সীমান্ত নিরাপত্তা ও সামাজিক স্বাস্থ্যের রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্থানীয়দের উদ্বেগ রয়েছে—যেনে পাচারকারীরা ব্যাপকভাবে আবারো ফিরে না আসে এবং ধৃত না হওয়া দায়ী ব্যক্তিদের খোঁজ দ্রুত পাওয়া যায়।
অপরদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি একযোগে গোয়েন্দা তথ্য বাড়াবে এবং স্থানীয় জনসাধারণকে মাদক বিরোধী চেতনা বিষয়ে সচেতন করতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এখনও উদ্ধারকৃত ট্যাবলেট নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী তদন্তে পরীক্ষামূলক সত্যায়ন ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
এই ঘটনার ফলে পঞ্চগড়ের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে জিজ্ঞাসা বাড়লেও, বিজিবির দাবি অনুযায়ী তারা সীমান্ত রক্ষায় প্রতিনিয়ত সতর্ক ও ক্রিয়াশীল রয়েছে—যার জ্বালে স্থানীয়দের সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।