রাজনীতি খাগড়াছড়ি খাগড়াছড়ি (47)

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের তেতুলতলা: কাদাপানি ও গর্তে পঙ্গু চলাচল, দ্রুত সংস্কারের দাবি

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের আটারকছড়া এলাকার তেতুলতলা অংশ দীর্ঘদিন ধরেই কাদাপানি ও বড় গর্তে ভুগছে। লংগদু উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান পথটি আসে-যাওয়ায় বিঘ্ন ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ায় স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধান চান।

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের তেতুলতলা: কাদাপানি ও গর্তে পঙ্গু চলাচল, দ্রুত সংস্কারের দাবি
©অলংকরণ রফিকুল ইসলাম / we-news.com

খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের আটারকছড়া এলাকার তেতুলতলা নামের কয়েক মিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে কাদাপানি ও বড় গর্তে ভর করে আছে। সড়কের দুই পাশে থাকা জমি সড়কের তুলনায় উঁচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি এবং আশপাশের পানি সেখানেই জমে থাকে। ফলে বছরের অধিকাংশ সময়েই ওই অংশটি কাদাপানিতে ডুবে যায় এবং যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়—বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহনের জন্য তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও দাবিসমূহ

অবস্থান পরিদর্শনে দেখা যায়, দীর্ঘসময় পানি জমে থাকায় সড়কের পিচ উঠে গিয়ে কয়েকটি স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় এবং প্রতিবার সাময়িক মেরামত করলেও সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।

“লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের জন্য এটি একমাত্র পথ। মাত্র কয়েক মিটার জায়গা পানিতে তলিয়ে থাকলেও পুরো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ে… মানুষের চরম ভোগান্তি হয়।” — মো. ইকবাল, মোটরসাইকেলচালক

অপারেশনালভাবে সমস্যার মূল কারণ হিসাবে স্থানীয়রা দুইটি বিষয় তুলে ধরেছেন—পানি নিষ্কাশনের অনুপস্থিতি এবং সড়কের চেয়ে আশেপাশের জমির উচ্চতা। আটারকছড়া এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জোতিন চাকমা স্থানীয়ভাবে স্থায়ী সমাধান চান।

“তেতুলতলা এলাকায় একটি উঁচু করে কালভার্ট নির্মাণ করা প্রয়োজন। সড়কের দুই পাশের জমি সড়কের চেয়ে উঁচু হওয়ায় পানি নিষ্কাশন নেই… প্রায় ১০০ মিটার সড়ক উঁচু করে দিলে দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।” — জোতিন চাকমা, ইউপি সদস্য

প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সম্ভাব্য প্রভাব

স্থানীয়রা এবং চলাচলকারীরা বলছেন, যদি তাত্ক্ষণিকভাবে কিছুটা সংস্কারও করা হয়, তখনও পুনরায় একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। তাদের প্রধান দাবি:

  • তেতুলতলায় কালভার্ট নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা করা;
  • প্রভাবিত অংশে প্রায় ১০০ মিটার সড়ক উঁচু করা বা পাকা উপরে তুলে দেওয়া;
  • বর্ষাকালে পুনরাবৃত্তিরোধে পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও স্থায়ী নির্মাণ খরচ বরাদ্দ করা।

কম সময়ের জন্য করা মেরামত হলে প্রচলিত সমস্যার পুনরাবৃত্তি হবে—এই আশঙ্কা স্থানীয়দের। চলাচলে বিঘ্ন না হলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব কমবে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়বে না।

অবস্থা নিরূপণ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা

এই সড়কটি খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের আওতায়। স্থানীয়দের বক্তব্য ও অবস্থা বিবেচনায় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় জরুরি পরিদর্শন ও প্রকৌশলগত মূল্যায়ন করে বাজেট-সম্বলিত স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। সাময়িক মেরামত নয়—কারণ স্রোত-নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকায় দ্রুত পিচ উঠে যায় এবং গর্ত সৃষ্টি হয়।

সমস্যা প্রভাব প্রস্তাবিত সমাধান
পানি নিষ্কাশনের অভাব পানি জমে সড়ক ধ্বংস ও চলাচলে বিঘ্ন কালভার্ট নির্মাণ
সড়ক নিচু হওয়া বারবার মেরামত ব্যর্থ ও দুর্ঘটনা ঝুঁকি প্রায় ১০০ মিটার সড়ক উঁচু করা

স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায়। সড়ক বিভাগের পরিকল্পনাগত পদক্ষেপ ও স্থানীয় ইউপি-র সমন্বয়ে কাজ এগোলে লংগদু ও আশপাশের জনজীবনে সরাসরি উপকার হবে। বরাদ্দ হলে স্থায়ী নির্মাণ ও পানি ব্যবস্থাপনা করলে বছরের বেশিরভাগ সময় জনদুর্ভোগ কমবে এবং সড়ক যোগাযোগ নিরাপদ থাকবে।

অপেক্ষা করা ঠিক নেই—স্থানীয়রা বলছেন, সাময়িক কাজের বদলে স্থায়ী ও প্রকৌশলভিত্তিক সমাধান প্রয়োজন। খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা রুটটিকে রক্ষা না করলে উপরি-প্রভাব হিসেবে দুর্ঘটনা, পণ্য পরিবহন ব্যাহত ও জীবিকার সমস্যা বেড়ে যাবে।

রফিকুল ইসলাম
রফিকুল এআই প্রধান সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি রফিকুল, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

47খাগড়াছড়ি

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো খাগড়াছড়ি, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব