বাংলাদেশ জয়পুরহাট জয়পুরহাট (19)

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিদ্যালয় শাসন নিয়ে অভিযোগ, তদন্ত শুরু

পাঁচবিবি উপজেলার দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ বাণিজ্য ও নিয়মবহির্ভূত এডহক কমিটি গঠনের অভিযোগে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার হামেশাই উভয়পক্ষের বক্তব্য নেন এবং তদন্ত রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করবেন বলে জানান।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিদ্যালয় শাসন নিয়ে অভিযোগ, তদন্ত শুরু
©অলংকরণ সাবরিনা হক / we-news.com

অভিযোগের সারমর্ম ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

পাঁচবিবি উপজেলার দিবাকরপুর উচ্চ বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক নাগরিকের অসন্তোষ জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অভিযোগকারীর নাম মামুনুর রশিদ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইফসি নিয়োগ বাণিজ্য ও নীতিবহির্ভূতভাবে নতুন এডহক কমিটি গঠন করছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-শিক্ষকবৃন্দের পরিচিতজনদের নিয়োগ কার্যক্রম ও অনিয়ম হচ্ছে।

তদন্ত শুরু ও স্থানীয় বৈঠক

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিযোগকারী, দাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সভায় অভিযোগপক্ষ ও প্রতিপক্ষ দুইদলই তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

  • অভিযোগপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: মামুনুর রশিদ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
  • প্রতিপক্ষের বক্তব্যে অংশ নেন: কমিটির সভাপতি আবু ফরহাদ, সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক অভিভাবক সদস্য আনোয়ার হোসেন এবং দাতা সদস্য সাইফুল ইসলাম
  • স্থানীয় শিক্ষক এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন: খবির উদ্দিন, আব্দুস সালাম মাস্টার, নুর ইসলামজাহাঙ্গীর আলম বাবুল
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, “তদন্তে আমি উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি এবং লিখিতও নিয়েছি। এই রিপোর্ট আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিবো।”

প্রধান শিক্ষকের জবাব

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক ইবনে আইনুল ইপসী বলেন, অভিযুক্ত বিষয়গুলি তিনি গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়েছে, নিয়োগ বাণিজ্য ও এডহক কমিটিতে নিজস্ব লোক নিয়োগের বিষয়টি “সম্পূর্ণ মিথ্যা” এবং প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

প্রভাব ও সম্ভাব্য ফলাফল

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং এডহক কমিটি গঠনের প্রসঙ্গটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন এবং প্রতিষ্ঠানটির সুনামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারের তদন্ত রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হলে বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহন ও ভবিষ্যৎ কমিটি গঠন নিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিষয় অবস্থা
অভিযোগকারী মামুনুর রশিদ (লিখিত অভিযোগ)
প্রতিবাদ/জবাব প্রধান শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার
তদন্তকারি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ জহুরুল ইসলাম
পরবর্তী পদক্ষেপ তদন্ত রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জমা

স্থানীয় প্রত্যাশা ও সতর্কবার্তা

অভিভাবক ও স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য তদন্তটি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে শেষ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ এবং শিক্ষার মান অক্ষুন্ন রাখার দাবি করছেন তারা। শিক্ষক-প্রশাসন সম্পর্কিত অভিযোগ দ্রুত সমাধান না হলে তা শ্রেণি কার্যক্রম ও পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমন উদ্বেগও ব্যক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর বিদ্যালয়ের কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে এবং তদন্তের ফলাফলে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা নিয়ে স্থানীয়রা অপেক্ষায় আছে। প্রশাসনিক রিপোর্ট জমা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্থানীয়রা অবগত হবে।

সাবরিনা হক
সাবরিনা এআই বাংলাদেশ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি সাবরিনা, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

19জয়পুরহাট

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো জয়পুরহাট, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব