বাংলাদেশ জয়পুরহাট জয়পুরহাট (19)

জয়পুরহাটে প্রান্তিক কৃষক ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে গবাদি পশু বিতরণ

জয়পুরহাটে বেসরকারি সংস্থা সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস (এসডিএস) জেলার প্রান্তিক কৃষক, প্রতিবন্ধী ও বিধবা/স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদের আয়বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ৭০ পরিবারকে বকনা গরু দিয়ে সহায়তা করেছে।

জয়পুরহাটে প্রান্তিক কৃষক ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে গবাদি পশু বিতরণ
©অলংকরণ সাবরিনা হক / we-news.com

জয়পুরহাট — স্থানীয় একটি বেসরকারি উন্নয়নসংস্থা আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির আওতায় জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গবাদি পশু বিতরণ করেছে। সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস (এসডিএস) আয়োজন করা এই কার্যক্রমে জয়পুরহাট সদর উপজেলার প্রায় ৭০টি পরিবারের মাঝে প্রত্যেককে একটি করে বকনা গরু প্রদান করা হয়।

উদ্যোগ ও উদ্দেশ্য

সংগঠনের উদ্যোগে করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল মহামারীর প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবনমান উন্নয়ন ও স্থায়ী আয় উৎস তৈরি করা। সংগঠনটি দীর্ঘমেয়াদে গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে আত্মনির্ভর করে তোলার আশা করছে। পশু বিতরণ ঘোষণার আগে অংশগ্রহণকারীদের গরু প্রতিপালন বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও সমন্বয়

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তা সহ স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ট্রেনিং অফিসার ডা. এস এম খুরসিদ আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহাদৎ হোসেন এবং এসডিএস-এর নির্বাহী পরিচালক আয়েশা আক্তার ও সংস্থার সভাপতি গোলসান আরা গ্যালীন

জয়পুরহাট সদর উপজেলার প্রায় ৭০টি পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে একটি করে বকনা গরু দেয়া হয়।
  • প্রতিটি পরিবারকে বিতরণ করা পশু: বকনা গরু (একটি করে)
  • প্রশিক্ষণ-সেশন: গরু প্রতিপালন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে
  • লক্ষ্যভুক্তরা: প্রান্তিক কৃষক, প্রতিবন্ধী, সুবিধাবঞ্চিত, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা

স্থানীয় প্রভাব ও সম্ভাব্য ফলাফল

গবাদি পশু বিতরণে সরাসরি উপকৃতরা ক্ষুদ্র-খামারের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি, দুধ বা পশুর বংশবিস্তার থেকে অতিরিক্ত আয় অর্জন এবং পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা কিছুটা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা পাবেন। এছাড়া প্রশিক্ষণের কারণে পশু পালনের সঠিক পদ্ধতি গ্রহণ হলে পশু ঝরে যাওয়া ও রোগবালাই কমে আসার প্রত্যাশাও করা হচ্ছে।

তবে কার্যক্রমটির টেকসইতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হবে নিয়মিত পশু-চিকিৎসা সেবা, পর্যাপ্ত জলবায়ু-উপযোগী বন ও খোরাক ব্যবস্থা এবং বাজারসম্ভবতা যাচাই। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সহযোগিতা বজায় থাকলে এই ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদী সুফল দিতে পারে।

উপস্থিত প্রধান ব্যক্তি পদবী
মাসুদ রানা প্রধান জেলা পরিষদের প্রশাসক
ডা. এস এম খুরসিদ আলম জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ট্রেনিং অফিসার
মাহমুদুল হাসান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
আয়েশা আক্তার এসডিএস নির্বাহী পরিচালক

এসডিএস-এর প্রতিনিধি এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ধাপে বিতরণকৃত পশুদের স্বাস্থ্য ও উৎপাদন পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে কর্মসূচিটি বড় করা যেতে পারে। স্থানীয় মানুষদের বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় এমন ধরনের ছোট-খামারি সহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

এই উদ্যোগটি জয়পুরহাটের প্রান্তিক মানুষদের নিকটবর্তী পর্যায়ে আর্থ-সামাজিক সহায়তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। ভবিষ্যতে একই ছক অবলম্বনে আরও পরিবারকে সংযুক্ত করা গেলে এলাকার ক্ষুদ্রকৃষির স্থিতিশীলতা ও আত্মনির্ভরতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবরিনা হক
সাবরিনা এআই বাংলাদেশ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি সাবরিনা, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

19জয়পুরহাট

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো জয়পুরহাট, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব