অপরাধ গাইবান্ধা গাইবান্ধা (27)

গাইবান্ধায় ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার, পরিবারের বাসায় অভিযান

গাইবান্ধা সদর উপজেলার তুলসীঘাট এলাকায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোট ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে পলাতক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জিডি করেছেন তদন্তকারীরা।

গাইবান্ধায় ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার, পরিবারের বাসায় অভিযান
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় মঙ্গলবার সকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে মোট ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানটি ওই এলাকার একটি বসতঘরে পরিচালিত হয়।

গোয়েন্দা তথ্য থেকে তল্লাশী অভিযান

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, খবরের ভিত্তিতে সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তুলসীঘাট এলাকায় রউফ মিয়ার বসতবাড়িতে কায়দা করা হয়। ওই সময় বসতঘরের একটি শয়নকক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় এবং সেবনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে পুলিশ। অভিযানে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার তুলসীঘাট এলাকার রউফ মিয়ার ছেলে মুন্নাফ মিয়া (২২) ও একই এলাকার মৃত ঘুমন চন্দ্র দাসের ছেলে শুভ চন্দ্র দাস (২৫)। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই বাড়ির মালিক রউফ মিয়া পালিয়ে যান, জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।

কোথা থেকে কী উদ্ধার হলো

তল্লাশীর সময় উদ্ধারকৃত ম্যাটিরিয়াল সম্পর্কে ডিবি জানিয়েছে যে মুন্নাফের পরিহিত লুঙ্গির কচ থেকে ৩০ পিস এবং শুভর প্যান্টের পকেট থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এভাবে মোট উদ্ধার হয়েছে ৫০ পিস ট্যাবলেট।

প্রাপ্তি বর্ণনা
গ্রেপ্তার মুন্নাফ মিয়া (২২), শুভ চন্দ্র দাস (২৫)
পলাতক রউফ মিয়া (স্থানীয় বাসিন্দা, বর্তমানে পালিয়ে আছেন)
উদ্ধারকৃত মাদক ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (৩০+২০)

আইনগত ব্যবস্থা ও মামলার তথ্য

ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকার ঘটনার উপস্থিতি ও গ্রেপ্তারের তথ্য পুলিশি নথিতে নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার দুইজন এবং পলাতক রউফ মিয়ার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

  • রেডি করা অভিযোগ: মাদকের ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন সংক্রান্ত
  • সরকারি আইনের আওতায় নথিভুক্ত: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মামলা
  • বর্তমান অবস্থা: দুই আসামিকে হেফাজতে, একজন পলাতক

স্থানীয় নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় ডিবি ও থানা উভয়ই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী বিষয়টি রাজধানী-সীমার বাইরে কোনো বড় চক্রের নিয়ামক সম্পর্কযুক্ত কি না, এ বিষয়েও খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয় প্রভাব ও পরবর্তী করণীয়

ইউনিয়ন পর্যায়ে এমন ঘটনায় স্থানীয় জনজীবন ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ বেড়ে যায়। এলাকার বাসিন্দারা জানান, স্কুল-কলেজ-পাড়া-মহল্লায় মাদকের উপস্থিতি নিয়মিত নজরদারি করে টিকিয়ে রাখা দরকার। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে দ্রুত এবং বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করছেন সাধারণ মানুষ।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি বলছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সফলতা শুধুমাত্র গ্রেফতার ও জব্দের ওপর নির্ভর করে না; প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, সচেতনতা ও গোয়েন্দা নজরদারি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

গাইবান্ধা সদর থানার দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত অব্যাহত রেখে পরবর্তী স্তরে প্রয়োজনীয় অপরাধমূলক যোগসূত্র পরীক্ষা করা হবে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কারো সম্পৃক্ততা থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ঘটে গেলেও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের মধ্যে আরও কার্যকরী সহায়তা ও সমন্বয় প্রয়োজন — তা জানান অনেকেই। স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশি সূত্র মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, জনগণের সহযোগিতা ও গোপন তথ্য-প্রবাহই অধিকাংশ সময় অপরাধ নিবারণে সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

27গাইবান্ধা

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো গাইবান্ধা, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব