ঢাকা, ১৮ আগস্ট—বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এবং বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতি হোক বা অন্য কোনো পদ, তাঁর ইচ্ছা এবং প্রতিজ্ঞা জনগণের পাশে থেকে সেবা করা। রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বার্তা দেন।
নেগোবল—প্রশান্ত অথচ দৃঢ় প্রতিশ্রুতি
সাক্ষাৎকালে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি কখনও ভাবেননি রাষ্ট্রপতি হবেন এবং এটা দলের ও আল্লাহর দান। তবু, যদি অফিসটি পান, জনগণের জন্য কাজ করা চলবে—এটাই তাঁর প্রতিশ্রুতি। তিনি জানান যে, "আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হব। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছে আছে, আমি জনগণের পাশে থেকে সেবা করব।"
"আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হব। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছে আছে, আমি জনগণের পাশে থেকে সেবা করব।"
আলোচনার স্বরূপ ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা
সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা তাকে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে অভিনন্দন জানান। সূত্রে বলা আছে, এই সময় ফখরুল আবেগাপ্লুত হন এবং দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা জানান, তিনি প্রত্যেকের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
কোন নেতারা উপস্থিত ছিলেন
উল্লেখিত সূত্র অনুযায়ী, সাক্ষাৎকালে কয়েকদফা সংগঠনের শীর্ষ ও কার্যনির্বাহী পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকটি নাম ও পদ নিচে সংক্ষেপে দেওয়া হলো।
- মানিক মুনতাসির — সভাপতি (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার পক্ষ থেকে)
- দেলোয়ার হোসেন — সাধারণ সম্পাদক (সমকাল)
- মানিকুল আজাদ — প্রধান বার্তা সম্পাদক (বাসস)
- মাহবুব আলম — সহসভাপতি (স্টার টিভি)
- কালবেলার শফিকুল ইসলাম — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
- জাহাঙ্গীর আলম — অর্থ সম্পাদক (বাসস)
- আব্দুল লতিফ — সাংগঠনিক সম্পাদক (৭১ টিভি)
- সাজ্জাদ হোসেন — প্রচার সম্পাদক (জিটিভি)
- মোছা. শিউলী বেগম নাহিদ — নারীবিষয়ক সম্পাদক (নিউজ টুয়েন্টি ফোর)
| পদ | নাম |
|---|---|
| উপদেষ্টা | সিনিয়র সাংবাদিক মশিউর রহমান |
| জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক | মাহাবুর আলম সোহাগ (বাসস) |
| অন্যান্য প্রতিনিধি | তুহিন সাইফুল্লাহ, নবাব শরীয়তুল্লাহ, নাসরিন আখতার, ইমরান খান, তাফহিমুল ইসলাম, আবু সাঈদ প্রমুখ |
ঠাকুরগাঁওয়ের প্রেক্ষাপট
কেন্দ্রীয় পর্যায়ের এই সাক্ষাৎ ও অভিনন্দন বার্তা ঠাকুরগাঁও থেকে গঠিত সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব ঘটানো অবস্থায় এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক উপস্থিতি বার্তা দেয়। ফোরামের নেতারা ঢাকায় গিয়ে মত বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানালে তা স্থানীয় খবরের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্ব পায়—বিশেষত তখন যখন প্রার্থী নিজে ঠাকুরগাঁও পরিবারভিত্তিক রাজনীতির পরিচিত নাম।
কি বলল প্রার্থী—সংক্ষেপে
- প্রার্থী স্বীকার করেছেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আশা আগে ছিল না ও তা তিনি আল্লাহ ও দলের দান হিসেবে দেখেন।
- তার প্রতিশ্রুতি—যদি রাষ্ট্রপতি হন তবুও জনগণের পাশে থেকে সেবা চালিয়ে যাবেন।
- সাক্ষাৎকারে তিনি উপস্থিত সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর নেন ও পরামর্শ দেন।
সাংবাদিক ফোরামের কথায়, সংগঠনের নেতারা এবং সদস্যরা সিদ্ধান্ত ও মনোনয়নের জন্য আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনের কাজ ও স্থানীয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক কেমন হবে সে বিষয়ে আলোচনা চলেছে।
উল্লেখ্য, তথ্যের উৎস—ঢাকা হেয়ার রোডে অনুষ্ঠিত সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উপস্থিত বাংলাদেশী ও ঢাকার সংবাদমাধ্যমিক নেতাদের বর্ণনা। প্রতিবেদনে ইনভেন্ট করা কোনো দাবি নেই; সব বক্তব্য উৎসভিত্তিক।