অপরাধ নারায়াণগঞ্জ নারায়াণগঞ্জ (11)

নির্দিষ্ট সময়ের ক্লাসে যাওয়ার পথে ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

নারায়ণগঞ্জে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর সড়কঘাট ঘটানো ওই হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের বিরুদ্ধে আদালত সোমবার তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ।

নির্দিষ্ট সময়ের ক্লাসে যাওয়ার পথে ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

নারায়ণগঞ্জে এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. ওয়াজেদ সীমান্তকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই রায়ে প্রত্যেককে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত রায় ঘোষণা করেন বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহত মো. ওয়াজেদ সীমান্ত নারায়ণগঞ্জের দেবভোগ এলাকার মো. আলম পারভেজের ছেলে। তিনি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি‑বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ভোরে ক্লাসে যাওয়ার সময় সীমান্তকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার পর তদন্ত শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং মামলা চলমান বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই রায় এসেছে।

আদালতে দন্ডিতদের পরিচয় ও রায়

আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা ব্যক্তিরা হলেন:

  • মো. অনিক (২৭)
  • মো. আকাশ খান (৩৬)
  • বাবু ওরফে চান্দি বাবু (৪৫)
নাম বয়স শাস্তি জরিমানা
মো. অনিক ২৭ মৃত্যুদণ্ড ৫০,০০০ টাকা
মো. আকাশ খান ৩৬ মৃত্যুদণ্ড ৫০,০০০ টাকা
বাবু ওরফে চান্দি বাবু ৪৫ মৃত্যুদণ্ড ৫০,০০০ টাকা

আদালতের প্রক্রিয়া ও স্থানীয় প্রভাব

নির্দিষ্ট তারিখে তালিকাভুক্ত মামলাগুলোর মধ্যে এই মামলাটিও দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর রায়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কোর্ট পুলিশের তথ্য অনুযায়ী মামলার বিচারে অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ধরনের নৃশংস ঘটনা স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ায়—বিশেষ করে নিরাপত্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে। পরিবার, সহপাঠী ও এলাকার মানুষ হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রতি কড়া বিচার দাবি করে থাকে, যা আদালত এই রায়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে প্রতিফলিত করেছে।

প্রাসঙ্গিক বিবেচ্য বিষয়

  • আদালতের রায় কার্যকর করার আগে প্রার্থিত আপিল বা উচ্চ আদালতে দায়ী পক্ষের আবেদনের সুযোগ থাকে।
  • রায়ের পরও_police ও সংশ্লিষ্ট কর্তারা 사건ের আনুষঙ্গিক অনুসন্ধান চালাতে পারেন।
  • নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত পদক্ষেপ জরুরি বলেই দেখা যায়।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী ধাপ

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন, নিহতের সহপাঠী ও স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। আদালত যে রায় দিয়েছেন তা আরও একটি ধাপ বিচারপ্রক্রিয়ার পুরস্কার বা উপসংহার হিসেবে দেখা হবে। তবে রায় কার্যকরের আগে উচ্চ আদালতে আপিলের সম্ভাবনা থাকে, যা মামলার চূড়ান্ত নিয়তি নির্ধারণ করবে।

স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত হল সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান জোরদার করা এবং কমিউনিটি সচেতনতা প্রচার চালানো—তাতে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা হতে পারে।

এই রায় সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিরক্ষা বা অভিযোগপত্রের আর্থিক ও আইনি নথি আদালতে সংরক্ষিত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুসারে বিচারপ্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবহৃত হবে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

11নারায়াণগঞ্জ

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো নারায়াণগঞ্জ, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব