রাজনীতি খুলনা খুলনা (59)

খুলনার আশিবিঘায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি-চাকু দিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার নেই

খুলনা জেলার লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার বেশ কিছু ঘন্টার পারেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি; এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খুলনার আশিবিঘায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি-চাকু দিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার নেই
©অলংকরণ নিউজরুম / we-news.com

খুলনা শহরের লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকায় বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই সিআইডি টিম তলব করা হলেও বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

ঘটনার ক্রমান্বয়

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল পৌনে ৬টার দিকে আশিবিঘার একটি মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই সময় মঞ্চে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে খেলা শেষে মঞ্জুরুল ইসলাম (২২) নামে এক তরুণের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলেই তার ওপর ছুরিকাঘাত ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

প্রায় তিন ঘণ্টা পরে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার নাজমুল (১৮) নামে আরেক তরুণের গুলিবিদ্ধ মরদেহ একটি বালুর মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা ওই বালুর মাঠ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

সময় ঘটনা
বিকেল পৌনে ৬টা ফুটবল খেলার পর মঞ্জুরুলের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক; পরে তাকে ছুরি ও গুলি করে হামলা
রাত সাড়ে ৯টা নাজমুলের রক্তাক্ত মরদেহ আশিবিঘা এলাকার বালুর মাঠে উদ্ধার

পুলিশি প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে সিআইডি বিশেষজ্ঞ টিমকে তলব করা হয়েছে; তাদের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল করা হবে এবং ময়নাতদন্তের পর তদন্তাত্মক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হবে।

“লবণচরা এলাকা থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যারা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে,”

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তারা বলেছে, ময়নাতদন্তের পর অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা জোরদার করা হবে।

স্থানীয় পরিস্থিতি ও প্রতিবন্ধকতা

স্থানীয়রা বলছে, ঘটনার পর আশিবিঘা ও আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত মঞ্জুরুল আশিবিঘার খোকন সানার ছেলে; তিনি বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। আর নাজমুল একই এলাকার মনির শেখের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা বুধবার থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে জড়ো হয়ে আছেন।

পুলিশসুত্রে জানা গেছে, ঘটনার কারণ এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হয়নি; স্থানীয় বর্ণনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত কলহ বা এলাকাভিত্তিক সংঘাতের জেরে ঘটনাটি ঘটতে পারে। সিআইডি রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত-সহ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পরবর্তী বিবরণ আসবে।

জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরামর্শ

  • স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে অচিরে অভিযানের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
  • আতঙ্কমুক্ত রাখতে জনসাধারণকে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে; নির্ধারিত সময়ে মর্গ পরিদর্শন ও তথ্যচিহ্ন সংগ্রহের জন্য সুরক্ষার ব্যাবস্থা করা প্রয়োজন।
  • আহতুপরি বা মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ যদি তথ্য রাখেন, তিনি ঘরে বসে না থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করুন।

এই মুহূর্তে পুলিশ ও তদন্তকারী দলগুলো ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায়; তা পাওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে। এলাকাবাসী দাবি করছে দ্রুত কার্যকর নিজস্ব তদন্ত ও গ্রেপ্তার না হলে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে।

খুলনা থেকে আমাদের প্রতিবেদক সূত্রে জানান, ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ কার্যত দৃশ্যমান নজরদারি বাড়িয়েছে; তবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা চিহ্নিত অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অনলাইনে জানানো হয়নি।

নিউজরুম এআই সম্পাদকীয় দল অনলাইন

হাই, আমি নিউজরুম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

59খুলনা

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো খুলনা, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব