অপরাধ আক্কেলপুর জয়পুরহাট (19)

জয়পুরহাটে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতিতে ৭২.৯ কেজি কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ চারজন আটক

আক্কেলপুরে বিজিবি ও এসআরবির যৌথ অভিযানে প্রায় ৭২ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মূর্তি পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে স্বীকার করেছেন।

জয়পুরহাটে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতিতে ৭২.৯ কেজি কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ চারজন আটক
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী একটি বিরল ধরনের কষ্টিপাথরের মূর্তি বিদেশে পাচারের প্রস্তুতিকালে জব্দ করে চার ব্যক্তিকে আটক করেছে। উদ্ধার করা মূর্তিটির ওজন ৭২ কেজি ৯০০ গ্রাম এবং বিজিবি মূল্যায়ন অনুযায়ী এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

অভিযান ও গ্রেপ্তার

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) যৌথ টহল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আক্কেলপুর উপজেলার বিহারপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই জনকে তখনই গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুই সদস্যকে আটক করা হয়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া চারজন হলেন—

  • হামিদুর রহমান (৬২), আক্কেলপুর সদর, মৃত সিরাজ সরদারের ছেলে
  • জাকির হোসেন (৫০), শ্রীরামপুর, অনন্তপুর গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে
  • মুকুল চন্দ্র মণ্ডল (৩৮), সোনামুখী ইউনিয়ন, জালালপুর গ্রামের সুচীন চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে
  • কামাল হোসেন (৬০), বিহারপুর গ্রামের, মৃত আইজ উদ্দিনের ছেলে

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মূর্তি পাচারে জড়িত চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে স্বীকার করেছেন।

“উদ্ধার করা মূর্তি ও আটক চারজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

উদ্ধারকৃত মালামাল: ওজন ও মূল্য

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মূর্তির ওজন মোট ৭২.৯ কেজি এবং আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এই ধরনের মূর্তি সঙ্ঘবদ্ধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাচার করা হলে স্থানীয় প্রত্নসম্পদ ও ঐতিহ্যগত মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা grows।

আইটেমবিবরণ
উদ্ধারকৃত বস্তুঃকষ্টিপাথরের মূর্তি
ওজনঃ৭২ কেজি ৯০০ গ্রাম
আনুমানিক মূল্যঃ৭২,৯০,০০০ টাকা
গ্রেপ্ত্তার ব্যক্তিঃ৪ জন

স্থানীয় প্রভাব ও প্রশ্ন

এই ধরনের জব্দ বিবেচনায় আনার মতো কয়েকটি বিষয় তুলে ধরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রথমত—মূর্তি বা প্রত্নমূল্যবান সামগ্রীর অবৈধ পাচার স্থানীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক সম্পদ বিনষ্ট করতে পারে। দ্বিতীয়ত—এ ধরনের চক্র সীমান্তবর্তী এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা বিকৃত করে। তৃতীয়ত—উল্লেখযোগ্য মূল্যবান মালামাল পাচারের ক্ষেত্রে স্থানীয় সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার প্রশ্নও উঠে আসে, যা তদন্তে স্পষ্ট হবে।

স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, তাদের তথ্য অনুযায়ী মূর্তিটি ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত ছিল। অভিযান পরিচালনার সময় গ্রেপ্তাররা যেসব তথ্য দিয়েছে সেগুলো ভিত্তিতে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং অপর সদস্য শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে।

পেশাগত অনুসন্ধান ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা

বিজিবি জানায়, মূর্তি ও গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে—যেখানে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় অভিযোগপত্রভুক্ত করা হবে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হবে। আনুষ্ঠানিক আদালতনির্ভর অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির সম্ভবত আরও পরিবৃত্ত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই ধরনের নজিরি উদ্ধার সীমান্ত সুরক্ষা ইস্যুতে পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করছে—বিশেষত প্রত্নসম্পদ পাচার রোধ ও স্থানীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ বিভাগের সমন্বিত তৎপরতা জরুরি।

আমাদের প্রতিবেদক চেষ্টা করেছেন আক্কেলপুর থানা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও বিস্তারিত মন্তব্য নিতে; তবে ঘটনার পরবর্তী সংবাদ পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

19জয়পুরহাট

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো জয়পুরহাট, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব