অপরাধ শরীয়তপুর শরীয়তপুর (15)

শরীয়তপুরে বিএনপি নেতা বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে ৪ নেতাকে মারধরের ঘটনা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সালাউদ্দিন ছৈয়ালের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের চার নেতাকে ডাকিয়ে <strong>৫০ লাখ টাকা</strong> চাঁদা দাবি ও বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে; আহতরা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

শরীয়তপুরে বিএনপি নেতা বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে ৪ নেতাকে মারধরের ঘটনা
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

ঘটনার সারমর্ম

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের চার নেতাকর্মীকে ডেকে নিয়ে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, তাঁদের ডেকে এনে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আটকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে কেউ কেউ প্রথমে স্থানীয় নড়িয়া হাসপাতালে নেওয়া হস্কে পরে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের বক্তব্য

ঘটনায় আহতদের মধ্যে আছেন — জেলা-উপজেলা রাজনীতি-সংলগ্ন পরিচিত নেতারা: নোমান চোকদার (উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল সভাপতি), মাসুদ খান (নড়িয়া পৌরস্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক), তাজুল সিকদার (যুগ্ম আহ্বায়ক) এবং দেওয়ান রাজিব (পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক)।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, সালাউদ্দিন ছৈয়াল জরুরি কথা বলে তাঁদের ডেকে নিয়ে নেন; সেখানে পৌঁছালে সালাউদ্দিন ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন এবং পরপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও আক্রান্তরা জানান, দেশীয় অস্ত্র ও একাধিক ব্যক্তি হামলায় জড়িত ছিলেন।

“জরুরি কথা বলে আমাকে সেখানে ডেকে এনে সালাউদ্দিন ৫০ লাখ টাকা দাবি করে; তারপর কালো কাপড়ে মোড়ানো একটি অস্ত্র বের করে আমাকে মেরেছে,” বলেছিলেন আহত মাসুদ খান।

অভিযুক্তের দাবি ও পুলিশের অবস্থান

অভিযুক্ত সালাউদ্দিন ছৈয়াল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ঘটনার মূল কারণ ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পর্কিত বিরোধ। তিনি দাবি করেন, নোমান ও মাসুদ তাঁর কাছ থেকে পূর্বে কিছু টাকা নিয়েছে এবং ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তাদের ডেকে আনা হয়েছিল; সেখানে তর্ক-বিবাদ চলার পর তাঁর লোকজন লাঠিপেটায় জড়িয়ে পড়ে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন সংবাদে জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে; তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আহত ও চিকিৎসার অবস্থা

স্থানীয় ও পরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা চারজনের নাম ও অবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে দেয়া হলো:

নাম পদবী/সম্পর্ক চিকিৎসা
নোমান চোকদার উপজেলা বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি
মাসুদ খান নড়িয়া পৌরস্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক প্রাথমিক চিকিৎসা ও সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে
তাজুল সিকদার স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহত, স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে আনেন
দেওয়ান রাজিব পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহত, বর্তমানে চিকিৎসাধীন

প্রভাব ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

স্থানীয়রা বলছে, ঘটনা পরিকল্পনামাফিকভাবে সংঘটিত হয়েছে—জরুরি কথা বলে ডেকে নিয়ে আক্রান্তদের লক্ষ্য করা হয়েছিল। আক্রান্তরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পরে এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়; পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছে।

  • ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হামলা করা হয়েছে।
  • অভিযুক্তের দাবি—ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে তর্ক-তারপর আক্রমণ।
  • পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলো, সাধারণ মানুষ ও প্রশাসন কি পদক্ষেপ নেবে তা স্থানীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। চালু তদন্তের ফলাফল ও গতিকারাও এখানকার রাজনৈতিক ও সামাজিক সহনশীলতার বিচারে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

15শরীয়তপুর

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো শরীয়তপুর, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব