মাদারীপুর শহরের কাছে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের তাঁতিবাড়ি এলাকায় ভোর তিনটা সাড়ে তিনের দিকে পুলিশের রেকারের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় শহরের একটি আবাসিক হোটেলের মালিক সেলিম হাওলাদার নিহত হয়েছেন। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার বাগেরপাড় এলাকার মৃত নাজিম উদ্দীন হাওলাদারের ছেলে এবং শহরের হোটেল মেট্রো নামে আবাসিক হোটেলের মালিক ছিলেন।
দুর্ঘটনার পরিস্থিতি ও হাসপাতালে নথিভুক্তি
পুলিশ ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা জানিয়েছেন, সেলিম ভূরঘাটা থেকে মাদারীপুর শহর ফিরছিলেন তার নিজ মালিকানাধীন প্রাইভেটকার চালিয়ে। তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছানোর সময় গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে তার গাড়াটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের রেকারের সঙ্গে ধাক্কা খায় এবং তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান সকালে নিহত ব্যক্তির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রেকার-উদ্ধার কাজ ও রাস্তার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্ন
দুর্ঘটনার সময় পুলিশ ওই স্থানেই আগে ঘটেছে এমন একটি আলাদা দুর্ঘটনার কারণে থাকা গাড়ি উদ্ধার কাজ চালাচ্ছিল; সেই কাজে ব্যবহৃত রেকার রাস্তার পাশে দাঁড়ানো ছিল। এই ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে, মহাসড়কে রেকারসহ উদ্ধার কাজ চলাকালীন পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবস্থা ছিল কি না এবং পরবর্তী চালান সম্পর্কে কী সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল।
- ঘটনার স্থান: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, তাঁতিবাড়ি এলাকা
- নিহত: সেলিম হাওলাদার, হোটেল মেট্রো মালিক
- সময়: শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৩টা
- হাসপাতাল: মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল
“সকালেই নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে,”
ওসি মারুফ রহমানের এই তথ্যটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। পুলিশ কিভাবে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছিল ও রেকার কোথায় ও কীভাবে স্থাপন করা ছিল—এসব বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া দেননি।
স্থানীয় পরিণতি ও প্রশ্নোত্তর
নিহতের পরিচিতদের কাছে সেলিম হাওলাদার একটি পরিচিত চেহারা ছিলেন; ব্যবসায়িক দায়-দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি শহরের বেশ কয়েকজনের নিকট পরিচিত তিনি। এমন সময় হঠাৎ একজন স্থানীয় ব্যবসায়ীর মৃত্যু পরিবার ও ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে শোক সৃষ্টি করেছে।
এ দুর্ঘটনা মাদারীপুর ও আশপাশের মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য চেতাবনিও হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত রাত্রি-ভোরে মহাসড়কে উদ্ধারকাজ চলাকালীন পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও চিহ্নিতকরণ না থাকলে যে ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, সেটি এই ঘটনাই প্রমাণ করে। স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগকে নিবিড়ভাবে এ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
| পয়েন্ট | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | সেলিম হাওলাদার |
| পেশা | আবাসিক হোটেল মালিক (হোটেল মেট্রো) |
| ঘটনার স্থান | তাঁতিবাড়ি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক |
| হাসপাতাল | মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল |
এই রিপোর্টে পুলিশের প্রাথমিক তথ্য, হাসপাতালে নথিভুক্তি এবং নিহত ব্যক্তির পারিবারিক পরিচয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনার অন্যান্য দিক নিয়ে আরও অনুসন্ধান ও সময়মত প্রশাসনিক প্রকল্পগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে স্থানীয় প্রচলিত জরায়ু ও রাস্তা নিরাপত্তার মান উন্নয়নে তা সাহায্য করবে।