অপরাধ কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম (28)

কুড়িগ্রাম উলিপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের মূল আসামি হৃদয় হাসান (রাকিব) ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে সিআরবির একটি যৌথ দল। আটককে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রাম উলিপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

উলিপুরের মামলায় রাজধানীতে গ্রেফতার

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় গত ৩০ জুনের কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হৃদয় হাসান ওরফে রাকিব (১৯) ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে সংরক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী (এসআরবি)। পুলিশ ও এসআরবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় ডেলটা হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার কীভাবে ঘটলো

এসআরবি-১৩ (রংপুর) সদর কোম্পানি এবং এসআরবি-৪, সিপিসি-২, মিরপুর ক্যাম্পের যৌথ অভিযান পরিকল্পিত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো হয়। গ্রেফতারের পর শনিবার দুপুরে উলিপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা কমল কিশোর ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে বলেন:

"আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে আসামিকে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।"

জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব উলিপুর উপজেলার নন্দুনেফড়া গ্রামের রানু মিয়ার ছেলে। গ্রেফতারের সময় বিশেষ কোন সহিংস সংঘর্ষ ছাড়াই তাকে আটক করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

মামলার পরিপ্রেক্ষিত ও অভিযোগ

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, রাকিব ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমসংক্রান্ত সম্পর্ক ছিল। বাদীর অভিযোগ, রাকিব তাকে দেখা করার কথা বলে তাকে মসজিদ সংলগ্ন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় আনেন। সেখানেই রাত দুটায় মাদ্রাসার এক শিক্ষক—মামলার অপর আসামি শহিদুল ইসলাম—শুরুর দিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে রাকিব এসে কিশোরীকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যেসব প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।

আইনগত ব্যবস্থা ও পরবর্তী ধাপ

উপজেলা পুলিশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুড়িগ্রাম জেলা জেলহাজতে রাকিবকে পাঠানো হয়েছে। এখন মামলাটির তদন্ত ও অভিযোগপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আইন ও পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের পরে অপরাধ সংক্রান্ত স্বতত্ত্ব যাচাই, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও ঘটনার সময়কালের সঠিক তদন্ত প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বেগ

উলিপুরের একটি সংরক্ষিত সামাজিক পরিবেশে এমন একটি খবরে গ্রামীণ সমাজে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কিশোরী নির্ভরযোগ্য সুরক্ষা ও বিচার পাবে—এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধান চাহিদা। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগপ্রমাণে দ্রুততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা জানাচ্ছেন।

  • গ্রেফতারের তারিখ ও স্থান: ২৩/২৪ অক্টোবর, ঢাকা—দারুস সালাম এলাকা, ডেলটা হাসপাতালের সামনের স্থান থেকে গ্রেফতার।
  • আসামির তথ্য: হৃদয় হাসান ওরফে রাকিব, বয়স ১৯, নন্দুনেফড়া গ্রামের বাসিন্দা।
  • অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি: মামলায় আরও একজন—শহিদুল ইসলাম—অপর আসামি হিসেবে আছে।
বিবরণ ঘটনা
অভিযোগের তারিখ ৩০ জুন (মামলা সূত্রে)
গ্রেফতার তারিখ ২৩/২৪ অক্টোবর (ঢাকা, দারুস সালাম এলাকা)
গ্রেফতারকারী এসআরবি-১৩ (রংপুর) ও অন্যান্য এসআরবি ইউনিটের যৌথ দল
বর্তমান অবস্থান কুড়িগ্রাম জেলা জেলহাজত

উল্লেখ্য, কিশোরী হওয়ায় মামলাটি সংবেদনশীল; তদন্তকালে সুরক্ষা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য। স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার নিশ্চয়তা দিয়েছেন—এটাই স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা।

এ প্রতিবেদনের সূত্র: এসআরবি ও উলিপুর থানার বিজ্ঞপ্তি ও পুলিশ সূত্র। আগামী দিনগুলোতে মামলার তদন্তে নতুন তথ্য পেলে তা অনুসরণ করে রিপোর্ট জানানো হবে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

28কুড়িগ্রাম

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো কুড়িগ্রাম, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব