রাজনীতি চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম (43)

খাগড়াছড়ি কারাগার থেকে পালানো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়া ২৪ বছর বয়সী মো. শফিকুল ইসলামকে চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার নয় মাস পর সন্ধান মিলেছে; তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

খাগড়াছড়ি কারাগার থেকে পালানো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার
©অলংকরণ নাসির উদ্দিন / we-news.com

খাগড়াছড়ি জেলা কারাগার থেকে প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়া ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে চট্টগ্রাম নগরীতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলো মো. শফিকুল ইসলাম (২৪), তিনি খাগড়াছড়ি জেলা শহরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং নুরুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ জানায়, ঘটনা ঘটার পর প্রায় নয় মাস পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন অভিযানের ফলস্বরূপ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় ও সহযোগিতা

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কোটŵাালি থানা পুলিশের সহযোগিতায় খাগড়াছড়ি থানা পুলিশ লালখান বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে। খাগড়াছড়ি সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

“আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে,”

পুলিশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আগে থেকেই তল্লাশি ও চিহ্নিতকরণ কাজ চলছিল। বিভিন্ন তথ্য ও গোয়েন্দা অনুসন্ধানের পর শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামে অবস্থানরত শফিকুলকে শনাক্ত করা যায় এবং অভিযানেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার পটভূমি ও তদন্তের সময়রেখা

পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের দক্ষিণ পাশের দেয়াল টপকে দুই আসামি একসঙ্গে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়াকারীদের মধ্যে একজনকে একইদিনই চট্টগ্রাম শহরের টিএনটি গেট এলাকা থেকে আটক করা সম্ভব হলেও অপরজন আত্মগোপনে চলে যান।

ঘটনা তারিখ / স্থান
জেলার কারাগার থেকে পালানো ৯ নভেম্বর ২০২৫, খাগড়াছড়ি জেলা কারাগার (দক্ষিণ পাশ)
প্রাথমিক গ্রেফতার (অন্য আসামি) ৯ নভেম্বর ২০২৫, টিএনটি গেট এলাকা, চট্টগ্রাম
শফিকুলের গ্রেপ্তার ২০ আগস্ট ২০২৬, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম

পুলিশি অভিযান ও প্রধান তথ্যবিন্দু

পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে কারা প্রশাসন ও বিভিন্ন থানার পুলিশ অভিযানে নিয়োজিত ছিল। তালিকাভুক্ত মূল তথ্যগুলো হচ্ছে—

  • দুইজন একসঙ্গে পুলিশের নজর ফাঁকি দিয়ে পালিয়েছিলেন।
  • এর মধ্যে একজন রাজিব হোসেন নামে পরিচিত, তাকে পালনের দিনই টিএনটি গেট এলাকা থেকে আটক করা হয়েছিল।
  • অপরজন শফিকুল ইসলাম স্থায়ীভাবে আত্মগোপনে ছিলেন এবং নানা স্থানে অভিযান সত্ত্বেও হদিস মেলেনি।
  • কয়েক মাস ব্যাপী অনুসন্ধান ও চিহ্নিতকরণের পরে চট্টগ্রামে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রেপ্তার কার্যক্রম শুরু হয়।

লোকালিটি ও নিরাপত্তা প্রশ্ন

এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ায়। খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারের দেয়াল টপিয়ে পালানো এবং পরে দীর্ঘদিন পর্যন্ত অদৃশ্য থাকা—এই দুই দিকই কারাগার নিরাপত্তা ও জেলা পুলিশের তৎপরতার প্রশ্ন তোলে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারের তথ্য চট্টগ্রাম নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কার্যকর সমন্বয়ও প্রদর্শন করে।

পুলিশি সূত্র বলছে, পালিয়ে যাওয়া আসামিদের পুনরুদ্ধার ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা তথ্য, হিউম্যান ইনফরমেশন এবং থানা-অঞ্চল সমন্বয় জরুরি ভূমিকা রাখে। এ ঘটনায় খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম পুলিশি দলগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়েছে।

পরবর্তী প্রক্রিয়া ও আইনি দিক

ওসি কায় কিসলুর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শফিকুলকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা ওয়ারেন্ট ও পালানোর বিষয়ক আনুষঙ্গিক আইনি প্রক্রিয়া বহাল থাকবে। মামলা ও ওয়ারেন্টের বিস্তারিত নথি সম্পর্কে খানিকটা প্রশাসনিক সময় নিতে পারে বলে পুলিশের আলোকপাত রয়েছে।

ওই ঘটনার সঠিক প্রেক্ষাপট ও গ্রেপ্তারের পরে সূত্র-তথ্য আরও বিশ্লেষণের চেষ্টা চলছে; স্থানীয় আদালত ও কারাগার প্রশাসনও বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নজিরবিহীন কোনো তথ্য বা অনুমান ছাড়াই, ঘটনাটি স্থানীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে—কার্যকর সমন্বয় ও সহায়তায় দীর্ঘদিনের পালানো আসামিকেও চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব।

নাসির উদ্দিন
নাসির এআই চট্টগ্রাম প্রতিনিধি অনলাইন

হাই, আমি নাসির, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

43চট্টগ্রাম

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো চট্টগ্রাম, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব