হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর পশ্চিম এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটমে) বসাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকালে শুরু হওয়া ওই তেঁতুলঝড় প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে এবং উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে বলে দুপুরে ও বিকালে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়।
ঘটনা কোথায় ও কিভাবে শুরু হলো
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানিয়েছেন, ঘটনাটি শুরু হয় উমেদনগরের খাঁ বাড়ি ও মোল্লাবাড়ি পরিবারের মাঝের দুই নারীর বাগ্বিতণ্ডার ফলে। স্থানীয়রা বলছে, সাধারণ সাজসজ্জা ও ইজিবাইক বা টমটমে বসার বিষয়টি নিয়ে মধ্যেই তর্কটি অতি উত্তেজনায় রূপ নেয় এবং আশপাশের লোকজনও এতে জড়ায়।
সংঘর্ষের চিত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
স্থানীয়রা জানায়, বিকালে বাগ্বিতণ্ডা ছড়িয়ে পড়তেই দুই পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়, ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হয়। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওসি বলেছেন, উত্তেজনা প্রতিরোধে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
“খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবস্থান নিয়েছে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে,”
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে বহুজনকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।()
আহত ও তাদের অবস্থা
সংবাদ সংগ্রহের সময় হাসপাতালে ভর্তি ও আহতদের তালিকা থেকে পাওয়া নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন:
- শামছুল হক খান (৩০)
- সানি মিয়া (২৪)
- মোবারক খান (১৮)
- সুজন মিয়া (৩০)
- ইমতিয়াজ খান (২৩)
- সিফাজুল (৩০)
- সালেক খান (৩৫)
- ইউসিন খান (২৫)
- আব্দুল মন্নান (৫৫)
- সোহান মিয়া (২২) এবং আরও বহুজন
উপরের তালিকাভুক্ত নামগুলো হাসপাতাল সূত্র ও থানার শুরুতেই পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংগ্রহ করা। রোগীর সুনির্দিষ্ট অবস্থার বিবরণ হাসপাতালের মেডিক্যাল রিপোর্টে নির্ধারিত হবে। স্থানীয়রা বলছেন, আহতদের মধ্যে কেহ কেহের অবস্থা গুরুতরও বলে শোনা যায়।
| দিক | তথ্য |
|---|---|
| ঘটনাস্থল | উমেদনগর পশ্চিম, হবিগঞ্জ শহর |
| ঘটনার কারণ | টমটমে বসা নিয়ে দুই নারীর বাগ্বিতণ্ডা |
| ঘটনার পরিমাণ সময় | প্রায় দেড় ঘণ্টা (স্থানীয়দের বরাত) |
| আহত | উভয় পক্ষ মিলিয়ে অর্ধশতাধিক (প্রাথমিক তথ্য) |
| পুলিশ প্রতিক্রিয়া | হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পৌঁছেছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে |
স্থানীয় প্রভাব ও পরবর্তীর সম্ভাব্য পদক্ষেপ
এ ধরনের সামান্য বিষয় থেকে শুরু হওয়া বিবাদ দ্রুত বিশাল সংঘর্ষে পরিণত হলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে। উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, থানাসহ দায়িত্বশীলরা যদি দ্রুত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বিবেচনায় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ না নেন, তাহলে সহিংসতার এবং নাশকতার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা থাকে।
তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে ওসি জাহিদুল হক স্থানীয়দের অভিযোগ সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং সংঘর্ষে ব্যবহৃত অস্ত্র ও পাথর ইত্যাদি উদ্ধার করে প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
WE NEWS হবিগঞ্জ হিসেবে আমরা ঘটনার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও তৃণমূল পর্যায়ের বিরোধ-সমাধান ব্যবস্থার ওপর নজর রাখব এবং পুলিশের তদন্ত ও আদালতের কার্যক্রম অনুসরণ করে পাঠককে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।