অপরাধ টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল (17)

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর কলেজশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, ময়নাতদন্ত চলছে

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গাড়াইল আন্ডারপাস এলাকার একটি জলাশয় থেকে একদিন আগে নিখোঁজ হওয়া ১৮ বছর বয়সী কলেজশিক্ষার্থী জিয়াদ আবদুল্লাহ আসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে; পুলিশ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় মৃত্যুর প্রকৃতি নির্ধারণ করবে।

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর কলেজশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, ময়নাতদন্ত চলছে
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর শুক্রবার বাড়ি ফেরেন না এমন এক কলেজশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম জিয়াদ আবদুল্লাহ আসিফ, বয়স ১৮ বছর। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার ভাল্লুককান্দি এলাকার বাসিন্দা এবং শহরের হাজী আবুল হোসেন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও উদ্ধার

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে নিজের খামারের মুরগি বিক্রি করতে পাশের দেলদুয়ার উপজেলার পুটিয়াজানি বাজারে যান আসিফ। সেখানে যাওয়ার পর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। শনিবার সকালে সদর উপজেলার গাড়াইল আন্ডারপাস এলাকার একটি জলাশয়ের পাশে স্থানীয় লোকজন একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তা ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশের ধারণা ও তদন্ত

প্রাথমিকভাবে পুলিশ হয়তো শ্বাসরোধ করে হত্যার শংকা করছে; তবে তারা মৃতদেহ রেডি ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করবেন। টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুক্তার আশরাফ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়ে বলেন—

“ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।”

ওসি আরও বলেছে যে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃতি ও এর সঙ্গে কেউ জড়িত ছিল কি না, তা নির্ধারণ করা হবে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও পরিবারের অবস্থান

প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা বলে, মৃত শিক্ষার্থী সক্রিয় ও শান্ত স্বভাবের ছিল এবং কিছুকাল আগে পর্যন্ত নিজ এলাকায় মুরগি পালনে যুক্ত ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে শুরুর সংবাদে থানায় যোগাযোগ করা হয়েছিল এবং তারা হারানো সদস্যকে খুঁজে বের করার দাবিতে রাত পর্যন্ত তৎপর ছিল।

  • নাম: জিয়াদ আবদুল্লাহ আসিফ
  • বয়স: ১৮
  • বাসস্থান: ভাল্লুককান্দি, টাঙ্গাইল পৌরসভা
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: হাজী আবুল হোসেন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি

ময়নাতদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া

মর্গে মরদেহ পাঠানোর পর ডাক্তাররা প্রাথমিক দেহ পরীক্ষা শেষে ময়নাতদন্ত করবেন—যার রিপোর্ট ঘটনার প্রকৃতি নিশ্চিত করবে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে আইনগত നടപടিমালা অনুসরণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ক্রমিক ঘটনার সময়রেখা (প্রাথমিক)
1 শুক্রবার: আসিফ পুটিয়াজানি বাজারে মুরগি বিক্রির উদ্দেশে যান
2 শুক্রবার: বাড়ি ফিরে আসেননি; রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়
3 শনিবার সকাল: গাড়াইল আন্ডারপাসের কাছে জলাশয় থেকে মরদেহ উদ্ধার
4 শনিবার: মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়

স্থানীয় অধিকারকর্মী ও কমিউনিটি সদস্যরা দাবি করেছেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন যাতে পরিবারের প্রতি সঠিক তথ্য জানানো যায় এবং যদি কাউকে অপরাধের সাথে জড়িত পাওয়া যায় তবে আইনের আওতায় আনা হয়।

এই ধরনের ঘটনা স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রশ্নও উত্থাপন করেছে—বিশেষ করে শহরতলির অরক্ষিত জলাশয় ও সাধারণ পথঘাটে সন্ধ্যা-বেলা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই। পুলিশ ও প্রশাসন কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, সেটাও নজরে রাখার বিষয়ের মধ্যে রয়েছে।

পুলিশ তদন্তের সর্বশেষ ফলাফল ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরই আসল কারণ ও সম্ভাব্য দায়ীর নাম প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত নিহতের পরিবার থেকে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

17টাঙ্গাইল

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো টাঙ্গাইল, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব