অপরাধ সিরাজগঞ্জ সিরাজগঞ্জ (25)

সিরাজগঞ্জে ভাতা কার্ডের নামে ১২ লাখ টাকা প্রতারণা, ভুক্তভোগীদের গ্রেপ্তার দাবী

কাওয়াকোলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ভাতা কার্ড ও সরকারি অনুদান পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় <strong>১২ লাখ টাকা</strong> নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা স্থানীয় প্রশাসন ও বিচারপথে দ্রুত ফেরত ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার দাবি করছেন।

সিরাজগঞ্জে ভাতা কার্ডের নামে ১২ লাখ টাকা প্রতারণা, ভুক্তভোগীদের গ্রেপ্তার দাবী
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

সিরাজগঞ্জের কাওয়াকোলা ইউনিয়নে অসহায় দরিদ্র নারীদের ভাতা কার্ড ও সরকারি বিভিন্ন সহায়তা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে যাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের টাকাবাসী ফেরত দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ন'টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেন ক্ষতিগ্রস্তরা ও স্থানীয়রা।

ঘটনার বিবরণ ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

মানববন্ধনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা জানায়, বড় কয়ড়া ও একডালা পূর্বপাড়া গ্রামের কয়েকশ গ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে আবেদনের পরও সরকারি সুবিধা পাননি। তাদের অভিযোগ, আব্দুল আলিম ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ভাতা কার্ড, সরকারি বিভিন্ন সহায়তা ও অনুদান পাইয়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতি ব্যক্তিকে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়। এই পদ্ধতিতে মোট প্রায় ১২ লাখ টাকা আদায় করা হয়।

“প্রায় ১২ লাখ টাকা আদায় করা হয়”

ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অনেকেই আজও কোন সুবিধা পাননি। বাড়ির অভাব-অনটন নিরসন না হওয়ায় টাকা ফেরত চাওয়ার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরণের হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এমনকি টাকা ফেরত চাইলে মারধর এবং বাড়িঘর উচ্ছেদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও প্রশাসনিক দাবী

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বিভাগে স্মারকলিপি জমা দেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় থানায় অভিযোগও করেছেন। স্মারকলিপি ও থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে ভূমিকা নিলে দ্রুত কার্যকর ফলাফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

  • অভিযোগের লক্ষ্যবস্তু: আব্দুল আলিম ও ফরিদা বেগম (স্থানীয়)
  • অবরোধের স্থান: কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকা
  • প্রতারণার মোট পরিমাণ: প্রায় ১২ লাখ টাকা
  • প্রতিটি অভিযোগকৃত অর্থ: ২,০০০–১০,০০০ টাকা পর্যন্ত

স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য প্রভাব

ভাতা ও সরকারি সহায়তা বঞ্চিতদের সহায়তা হিসেবে বরাদ্দ থাকলেও, প্রতারণার এই ব্যবস্থা স্থানীয় দরিদ্র নারী ও পরিবারের ওপর সরাসরি আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। ভুক্তভোগীরা জরুরি মৌলিক চাহিদা ও চিকিৎসা বা শিক্ষা খাতে সমস্যা অনুভব করছে। প্রশাসনিক তদন্ত না হলে জেলার অন্যান্য অঞ্চলগুলোর মধ্যেও অনুরূপ অনৈতিক চর্চা বাড়তে পারে—বিশেষত যেখানে জনগণ সরকারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত নয়।

বিবরণ সংখ্যা/পরিমাণ
অভিযোগিত মোট অর্থ ১২,০০,০০০ টাকা (প্রায়)
প্রতি ব্যক্তির অভিযোগিত পরিমাণ ২,০০০–১০,০০০ টাকা
প্রতিবাদী এলাকা বড় কয়ড়া, একডালা পূর্বপাড়া (কাওয়াকোলা ইউনিয়ন)

বর্তমানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীবৃন্দ বলেন, ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা অপরিহার্য। তারা আরও বলেন যে, সরকারি সুবিধার দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা যাচাই নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এমন প্রতারণার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে।

ঘটনাটির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানায় তদন্ত চালানোর পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত ও আক্রান্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে স্থানীয় প্রশাসনের পদক্ষেপ কি হবে, তা জরুরি পর্যবেক্ষণের বিষয় হিসেবে রয়ে গেলো।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

25সিরাজগঞ্জ

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো সিরাজগঞ্জ, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব