অপরাধ কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম (28)

কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরীতে ভারতে চোরাচালান করা ২৫ লাখ টাকার কাপড় জব্দ

নাগেশ্বরীতে রাতে পুলিশের পৃথক অভিযানে মোট ২৬৮ পিস চোরাই কাপড় জব্দ করা হয়েছে; প্রতিটি পিসের দৈর্ঘ্য ১২ মিটার, আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। দুটি মামলা করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরীতে ভারতে চোরাচালান করা ২৫ লাখ টাকার কাপড় জব্দ
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বুধবার রাতের অভিযানে ভারতীয় নকশার চোরাই প্যান্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। জব্দকৃত কাপড়গুলোর আনুমানিক মূল্য সরকারি হিসাবে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে।

অভিযান ও নেতৃত্ব

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান.

জব্দকৃত মালামাল ও তদন্ত

অনুমানিকভাবে মোট ২৬৮ পিস কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে; প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য ১২ মিটার হওয়ায় জব্দকৃত মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৩ হাজার ২১৬ মিটার। পুলিশ বলছে, এসব কাপড় অবৈধভাবে বাংলাদেশে বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত মালামাল সম্পর্কে পুলিশের প্রদত্ত তথ্য নিম্নরূপ:

উৎপাদনদ্রব্য সংখ্যা প্রতি পিস দৈর্ঘ্য মোট দৈর্ঘ্য প্রায় মূল্য
চোরাই প্যান্ট তৈরির কাপড় ২৬৮ পিস ১২ মিটার ৩,২১৬ মিটার প্রায় ২৫ লাখ টাকা

কোথায় কোথায় অভিযান করা হয়

পুলিশ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নাগেশ্বরী উপজেলার কয়েকটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দয়াময়ী পাইলট স্কুল সংলগ্ন ফজলুর রহমান নামের এক ব্যক্তি (সংলগ্নকে স্থানীয়ভাবে 'ফজলু চেয়ারম্যান' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে) এর বাড়ি এবং মোমিনগঞ্জ এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বাড়ি তল্লাশি করে। অভিযান থেকে কাপড় উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে—একটি সুনির্দিষ্ট ও অন্যটি অজ্ঞাতনামা সীমান্ত চোরাকারবারীর বিরুদ্ধে।

  • অভিযানকাল: রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত।
  • অভিযানকারীরা: সার্কেল ও থানা পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা।
  • নারী-পুরুষের কোনো গ্রেফতারির সংবেদনশীলতা রিপোর্টে উল্লেখ নেই; মামলাগুলো বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।
“কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে।”

অভিযানের দায়িত্বরত কর্মকর্তা এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং জেলার প্রতিটি থানায় অনুরূপ অভিযান চলবে বলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় প্রভাব ও উদ্বেগ

কাপড়সহ অন্যান্য ভোক্যপণ্য চোরাচালান সীমান্তবর্তী এলাকার অর্থনীতি ও বাজারকে প্রভাবিত করে; স্থানীয় তৈরি পোশাক শিল্প ও ব্যবসায়ীদের জন্য সস্তা, অবৈধ চাহিদা চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া সীমান্ত চোরাচালান পরিচালনায় লং-র‌্যাঞ্জ অপরাধি চক্র জড়িত থাকার আশঙ্কাও আছে—যা নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি ও তদন্তের প্রয়োজন বাড়ায়।

পুলিশি সূত্রে মামলা হওয়ার কথা নিশ্চিত করা হলেও তদন্ত কতদূর অগ্রসর তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তে আরও কোনো গ্রেফতার বা অভিযুক্তের নাম উল্লেখ না করা পর্যন্ত এ ঘটনায় তদন্তের ফলাফলই স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

নাগেশ্বরী এলাকা সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় চোরাচালান রোধে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোয় স্থানীয় বণিক ও বাজার অংশীদাররা স্বস্তি পেতে পারেন; তবে অপরাধ প্রতিরোধ ও বাজার বহালের স্বচ্ছতার জন্য পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

28কুড়িগ্রাম

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো কুড়িগ্রাম, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব