সমাজ ফরিদপুর ফরিদপুর (02)

ফরিদপুরে হাসপাতাল ও সওজের জমি থেকে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা ও সড়ক বিভাগের সরকারি জমি থেকে মঙ্গলবার সকালে শুরু হওয়া অভিযানে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদে সড়ক প্রশস্তকরণ ও হাসপাতাল পাড়ের সাধারণ পথচারীর চলাচলে সহায়তা করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

ফরিদপুরে হাসপাতাল ও সওজের জমি থেকে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
©অলংকরণ বিপ্লব সরকার / we-news.com

ফরিদপুর: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর এবং সড়ক বিভাগের (সওজ) বিভিন্ন সরকারি জমি থেকে মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন বুলডোজার ও মানুষবল ব্যবহার করে গড়ে ওঠা প্রায় ২০০টির বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। সকাল সাড়ে দশটা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।

অভিযান ও পরিসর

উচ্ছেদ অভিযানটি ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। শুরু করা হয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের অংশ থেকে। এরপর ভাঙ্গা-ফরিদপুর গোয়ালচামট সড়কের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এলাকা হয়ে ভাঙ্গা রাস্তার মোড় পর্যন্ত অভিযান সম্প্রসারণ করা হয় এবং সওজ আওতাভূক্ত জমিতেও উচ্ছেদ কাজ চালানো হয়।

কেন অভিযান প্রয়োজন ছিল

প্রশাসন ও স্থানীয়দের কথায়, সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও স্থাপনার ফলে সড়কের প্রকৃত প্রশস্ততা কমে আসছিল। ফলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা রোগী ও সাধারণ পথচারী চলাচলে বাঁধা হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অনিয়মের ফলে পথচারী-যানবাহনের চলাচল সীমাবদ্ধ হচ্ছিল—এই সমস্যার সমাধানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

“সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং হাসপাতাল এলাকায় মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে,”

উপরোক্ত কথা জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, জনস্বার্থে ভবিতব্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে কোন দফতর অংশ নিয়েছিল

উচ্ছেদকালে প্রশাসনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সড়ক বিভাগ, জেলা পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যরা। তারা আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্থানীয়রাও অভিযানের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি শামা ওবায়েদ, সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এবং সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

  • অভিযানের সময়কাল: সকাল ১০:৩০ — বিকেল ৩:৩০ (প্রায়)
  • উচ্ছেদকৃত স্থাপনার ধরণ: পাকা, আধা-পাকা ও অস্থায়ী দোকানপাট
  • অংশ নেয়: জেলা প্রশাসন, সড়ক বিভাগ, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, আনসার

উচ্ছেদ শেষে সড়ক ও হাসপাতাল এলাকার প্রভাব

উচ্ছেদকৃত স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে অতিরিক্ত প্রশস্ততার সুযোগ তৈরি হবে বলে প্রশাসন বলছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়িক অবকাঠামো সরালে জরুরি যানবাহন ও রোগী-পরিবারের চলাচলে সহায়ক ভূমিকা রাখবে—এটাই উদ্দেশ্য।

বিষয় তথ্য
উচ্ছেদকৃত স্থাপনাসংখ্যা প্রায় ২০০+
অভিযানকারীর নেতৃত্ব মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি)
অংশগ্রহণকারী সংস্থা জেলা প্রশাসন, সড়ক বিভাগ, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, আনসার

স্থানীয়দের মতামত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আসপাশের সাধারণ মানুষ ও হাসপাতাল পাড়ের রোগী-পরিবাররাও অভিযানের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ডেকচি-চাপাশিকার মতো ভোগান্তি চলছিল; উচ্ছেদে তা কিছুটা কমবে। প্রশাসন জানায়, সরকারি জমি ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা পুনরায় সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে অনধিকার প্রবেশ বন্ধে পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হবে।

উচ্ছেদ অভিযানগত ব্যবস্থা হলেও এটি কেবল একবারের উদ্যোগ—এ সমস্যা স্থায়ীভাবে মিটবে কি-না তা ভবিষ্যৎ পর্যবেক্ষণে ইশতেহার করবে। হাসপাতাল পাড়ে নিরাপদ ও প্রশস্ত সড়ক গঠনের দাবি多年কাল ধরে ছিল; এবার সেই দাবি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এই অভিযান দেখা হচ্ছে।

বিপ্লব সরকার, ফরিদপুর প্রতিনিধি, WE NEWS

বিপ্লব সরকার
বিপ্লব এআই ফরিদপুর প্রতিনিধি অনলাইন

হাই, আমি বিপ্লব, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

02ফরিদপুর

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো ফরিদপুর, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব