অপরাধ মাগুরা মাগুরা (61)

মাগুরা কিশোরী ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু

মাগুরায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটু শেখের বিরুদ্ধে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের অগ্রাধিকারভিত্তিক শুনানি হাইকোর্টে শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।

মাগুরা কিশোরী ধর্ষণ-হত্যা: হাইকোর্টে হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

মাগুরায় আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে সংস্কার (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল পর্যায়ে পুনর্বিবেচনার জন্য শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হাইকোর্টের নির্ধারিত বেঞ্চ—বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা—এই শুনানি গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি ও দায়িত্বশীল আইনজীবী দল

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক, সঙ্গে ছিলেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার তথ্যাবলী অনুযায়ী, মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামের ওই কিশোরী বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে মার্চ ২০২৫ সালে ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। গুরুতর অবস্থা nedeniyle তাকে প্রথমে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়; পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৩ মার্চ ২০২৫ সালে তিনি মারা যান।

ত্রাইব্যুনালের রায় ও ডেথ রেফারেন্স

মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন। ট্রাইব্যুনাল রায়ের পর বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছিল। ওইসব নথি পরে ডেথ রেফারেন্স আকারে উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

টপিক তারিখ / বিবরণ
ঘটনার সময় ২০২৫ সালের মার্চ (নিজনান্দুয়ালী গ্রামে)
মৃত্যু ১৩ মার্চ ২০২৫ (চিকিৎসাধীন অবস্থায়)
ট্রাইব্যুনালের রায় ১৭ মে ২০২৫ — প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড
হাইকোর্টে শুনানি শুরু ১১ আগস্ট ২০২৬ — ডেথ রেফারেন্স ও আপিল

বিশেষ বেঞ্চ ও সরকারের আইনজীবী দল

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিক্যভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি ২০২৬ সালের ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষ পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বে একটি দল গঠন করা হয়েছে। ওই দলের মধ্যে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির সহকারী আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন।

স্থানীয় প্রেক্ষাপট ও জনগণের মনোভাব

ঘটনাটি মাগুরা জেলার একজন কিশোরীর ওপর নৃশংস আক্রমণ ও পরিণামে মৃত্যুর প্রেক্ষিতে স্থানীয় মানুষের মাঝে উদ্বেগ ও নিন্দা ছড়িয়েছে। শিশু নির্যাতন ও হত্যার মত ঘটনাগুলো স্থানীয় সমাজে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতিকে বাড়িয়ে দেয় এবং বিচার প্রক্রিয়ার দ্রুততা ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো করে।

  • নিয়মিত মামলা পরিচালনা: ট্রাইব্যুনাল থেকে উচ্চ আদালতে দ্রুত নথি প্রেরণ করা হয়েছে।
  • বিশেষ বেঞ্চ ও দল: এ ধরনের সংবেদনশীল মামলায় বিশেষ বেঞ্চ ও সরকারিভাবে গঠিত আইনজীবী দল দায়িত্ব পালন করছে।
  • সামাজিক প্রভাব: শিশু সুরক্ষা ও বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর স্থানীয় মানুষের নজর বেশি তীব্র।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত আসা ও আপিলের নিষ্পত্তি দেশীয় আইনপ্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই শুনানি শেষ হলে মামলাটির ওপর উচ্চ আদালতের রায় দেশের অন্যান্য সময়ে প্রযোজ্য নীতিগত ও বিচারিক ভাবনাকেও প্রভাবিত করতে পারে।

এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ও বিস্তারিত বিবরণ পর্যায়ে আদালত থেকে জানানো হবে। বর্তমানে উচ্চ আদালতে চলমান অগ্রাধিক্যভিত্তিক শুনানি সরকারি আইনজীবীদের নিজ নিজ উপস্থাপনার মাধ্যমে চালিত হচ্ছে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

61মাগুরা

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো মাগুরা, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব