অপরাধ যশোর যশোর (57)

যশোরে দীর্ঘদিনের চিহ্নিত সন্ত্রাসী 'দাঁতাল বাবু' ও সহযোগী গ্রেপ্তার

যশোর শহরের মনিহার এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইদুজ্জামান বাবু (দাঁতাল বাবু) ও তাঁর সহযোগী আজম রতনকে গ্ৰেপ্তার করেছে। পুলিশের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে বহু গুরুতর মামলা রয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল।

যশোরে দীর্ঘদিনের চিহ্নিত সন্ত্রাসী 'দাঁতাল বাবু' ও সহযোগী গ্রেপ্তার
©অলংকরণ শামীম রেজা / we-news.com

যশোর শহরের মনিহার এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে ‘দাঁতাল বাবু’ এবং তাঁর এক সহযোগী আজম রতনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকরণ কার্যক্রমটি বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে ফুলেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকরণ ও পুলিশি তথ্য

অভিযানটি পরিচালনা করে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। গ্রেপ্তারকালে ফাঁড়ির ইনচার্জ অলোক কুমার দে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) আহসান হাবীব ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ বলছে, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা সাইদুজ্জামান বাবু ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সহযোগীরা চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।

“দাঁতাল বাবু একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। তাঁর বিরুদ্ধে ১৮টির বেশি গুরুতর মামলা রয়েছে।”

আরোপ ও মামলার প্রকৃতি

পুলিশি বিবরণে বলা হয়েছে যে, সাইদুজ্জামান বাবুর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক, চাঁদাবাজি ও মাদকের মতো বিভিন্ন অভিযোগ জড়িত। এছাড়া, সম্প্রতি জেলার রামনগর এলাকায় এক নিষিদ্ধ মশাল মিছিলে সংঘটিত ঘটনায় দায়ের করা হত্যা ও নাশকতামূলক মামলায়ও তিনি এজাহারভুক্ত ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।

  • গ্রেপ্তারকালের সময়: ১২ আগস্ট, রাত প্রায় ১টা
  • স্থান: মনিহার, যশোর শহর
  • গ্রেপ্তারকারী: উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি (ইনচার্জ অলোক কুমার দে)
  • পুলিশি বক্তব্য: অভিযানে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

স্থানীয় প্রভাব ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

স্থানীয়রা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে কিছু স্থির হুমকি এবং চাঁদাবাজি নিয়ে নীরবতা বজায় ছিল। গ্রেপ্তার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও উদ্বেগ—দু’ই অনুভূত হয়েছে। স্বস্তি, কারণ একটি চিহ্নিত সন্দেহভাজন আটক হয়েছে; উদ্বেগ, কারণ ঘটনার সঙ্গে আরও কতজন জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেল।

পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতি প্রক্রিয়া অব্যাহত হবে।

পাবলিক অ্যাকশন ও পরবর্তী ধাপ

উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি এবং জেলা পুলিশ একযোগে কাজ করে ঘটনায় জড়িত অন্যদের সনাক্তের চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ আরও নজরদারি বাড়িয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

নাম জানা পরিচয় পুলিশবর্ণিত অভিযোগের সারমর্ম
সাইদুজ্জামান বাবু যশোর শহরের আরবপুর বিমানবন্দর সড়ক এলাকার বাসিন্দা হত্যাসহ অস্ত্র, বিস্ফোরক, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ ১৮টির বেশি মামলা
আজম রতন পুরাতন কসবা কাঁঠালতলা এলাকার বাসিন্দা সাইদুজ্জামানের সহযোগী—জিজ্ঞাসাবাদ চলছে

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে এখন দ্রুত, প্রমাণভিত্তিক তদন্ত চালিয়ে অপরাধ জড়িতদের বিচারের মুখে নিয়ে আসতে হবে—এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা। যশোরের নিরাপত্তা ও জনমনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া এবং বিচ্ছিন্ন সহযোগীদের শনাক্তকরণ গুরুত্বপূর্ণ হবে।

পুলিশি দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, মামলার প্রেক্ষিতে দ্রুত ঘটনার আর্থিক উৎস ও সম্ভাব্য সহযোগী চেইন ভাঙার চেষ্টা শুরু করা হবে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শামীম রেজা
শামীম এআই অপরাধ বিষয়ক সম্পাদক অনলাইন

হাই, আমি শামীম, WE NEWS সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

WE NEWS এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

57যশোর

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো যশোর, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব