রাজশাহীর ডিঙ্গাডোবা এলাকার বাকীর মোড়ে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মাদক-বিরোধী কথাকাটাকাটির জের ধরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম আব্দুল বারী, তিনি ওই এলাকার বদরুল্লাহর ছেলে।
স্থানীয় বর্ণনা ও ঘটনার সারির বিবরণ
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন ধরে ওই এলাকায় বহিরাগত কিছু যুবক মাদক বিক্রি করছিল। শনিবার বিকেলে ওই বহিরাগতদের সাথে বারীর কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। রাত দু’টার দিকে নয়—স্থানীয়দের কথায় গভীর রাত প্রায় রাত ১টা-র সময়—প্রায় ৫০ জনের মতো একটি দলের যুবক বাসা থেকে বারীকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পুনরায় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ (রামেক) নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে এবং ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশি বক্তব্য ও আইনী প্রক্রিয়া
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার বিষয়ে বলেন, ঘটনার পরিবারের সদস্যরা এখনও থানায় এসে মামলা করেননি। তিনি জানান:
“পরিবারের সদস্যরা এখনও থানায় মামলা করতে আসেনি। মৃতদেহ মর্গে আছে, ময়নাতদন্ত করা হবে। মামলা না হলে বলা যাচ্ছে না হত্যাকাণ্ড কী নিয়ে হয়েছে; আমি শুনেছি এটা মাদক ব্যবসা ব্যতিরেকে নয়—যদি তারা মামলা করে, আসলে বোঝা যাবে।”
ওসি কর্তৃক প্রদত্ত এই বিবৃতি থেকে স্পষ্ট যে পুলিশ এখনও ঘটনার বিস্তারিত নিরুপণে সীমাবদ্ধ অবস্থায় আছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে তদন্ত আরও গতিশীল হবে।
স্থানীয় নিরাপত্তা ও জনমত
স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে বহিরাগত মাদক বিক্রেতাদের কারণে এলাকার সাধারণ নাগরিকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ঘটনাটি আলোচ্য অঞ্চলে ভয়ের অবহেলা বাড়িয়েছে। অনেকে বলছেন দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা না হলে নিকট ভবিষ্যতে সাম্প্রদায়িক বিরোধ বা সংগঠিত সহিংসতা আশঙ্কা করা যায়।
- ঘটনার স্থান: ডিঙ্গাডোবা, বাকীর মোড় (রাজশাহী)
- নিহত: আব্দুল বারী, বদরুল্লাহর ছেলে
- সময়: শনিবার দিবাগত রাত ≈ ১টা (২৬ সেপ্টেম্বর)
- আশঙ্কিত কারণ: স্থানীয়দের দাবি—মাদক বিক্রয় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঝগড়া
- পুলিশি অবস্থা: মামলা দায়ের হয়নি; মরদেহ মর্গে; ময়নাতদন্ত হবে
ঘটনার টাইমলাইন
| সময় | ঘটনার বিবরণ |
|---|---|
| কয়েক দিন আগে | বহিরাগতদের মাদক বিক্রির অভিযোগ এলাকায় |
| শনিবার বিকেল | বারীর সঙ্গে বহিরাগতদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি |
| শনিবার গভীর রাত (~১টা) | প্রায় ৫০ জন এসে বাসা থেকে বারীকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে আহত |
| রাতে | রামেক এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা |
এই ঘটনায় স্থানীয় ও পুলিশ উভয় পক্ষই সতর্ক—পুলিশ মামলাপ্রবেশ এবং ধারা নির্ধারণে পরিবারের সহায়তা কামনা করেছে। এ বিষয়ে আদালত-সম্মত এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তই পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্তের পথ তৈরি করবে।
কিসের প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশিত
এই ধরণের ঘটনার পর সাধারণত প্রত্যাশা করা হয়:
- পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা
- ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক তদন্ত সম্পন্ন করা
- পরিস্কার সাহায্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা
পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার ওপর এলাকাবাসী জোর দিয়েছেন, এবং প্রশাসনিক পর্যায় থেকে মাদকবিরোধী উদ্যোগ জোরদার করারও আহ্বান উঠেছে। তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে সংবাদে তাAPON হালনাগাদ করা হবে।